মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ব্যবসা-বাণিজ্য

এফটিএ ও ইপিএ চুক্তিতে রপ্তানি

রপ্তানি বাড়াতে নতুন বাজার খুঁজছে বাংলাদেশ! বড় ঘোষণা বাণিজ্যমন্ত্রীর

রপ্তানি বাড়াতে নতুন বাজার খুঁজছে বাংলাদেশ! বড় ঘোষণা বাণিজ্যমন্ত্রীর
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

দেশের রপ্তানি বাজারের পরিধি বাড়াতে এবং একক খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে। এই নির্ভরতা কমাতে চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও প্লাস্টিকসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিশেষ নীতিগত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এসব খাতে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়া হচ্ছে এবং ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচির মাধ্যমে ৬৪ জেলার জন্য ১৪টি পণ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলডিসি উত্তরণের পর অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা হারানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার ইতিমধ্যে জাপানের সঙ্গে ইপিএ চুক্তি করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া, ইইউ, চীনসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ ও সিইপিএ আলোচনা চালাচ্ছে।

রপ্তানি নীতি ২০২৪–২০২৭ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন বাজার যেমন ব্রাজিল, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের উপস্থিতি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রপ্তানিকারকদের জন্য প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা, সহজ ঋণ সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত আরও বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী হবে।

#বাংলাদেশ_রপ্তানি #বাণিজ্য_নীতি #এফটিএ_ইপিএ

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


রপ্তানি বাড়াতে নতুন বাজার খুঁজছে বাংলাদেশ! বড় ঘোষণা বাণিজ্যমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের রপ্তানি বাজারের পরিধি বাড়াতে এবং একক খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে। এই নির্ভরতা কমাতে চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও প্লাস্টিকসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিশেষ নীতিগত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এসব খাতে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়া হচ্ছে এবং ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচির মাধ্যমে ৬৪ জেলার জন্য ১৪টি পণ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলডিসি উত্তরণের পর অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা হারানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার ইতিমধ্যে জাপানের সঙ্গে ইপিএ চুক্তি করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া, ইইউ, চীনসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ ও সিইপিএ আলোচনা চালাচ্ছে।

রপ্তানি নীতি ২০২৪–২০২৭ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন বাজার যেমন ব্রাজিল, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের উপস্থিতি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রপ্তানিকারকদের জন্য প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা, সহজ ঋণ সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত আরও বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত