হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন এলাকায় উচ্চস্বরে গান বাজনা ও কথিত বাউল গানের আসর নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে জন্মদিন ও ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এসব আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্চক্ষমতার সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে এসব অনুষ্ঠানে শব্দদূষণ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে অশালীন নাচ গান ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
পরীক্ষার্থী অঞ্জনা শীল ও আবু সাঈদ অভিযোগ করেন, নিয়মিত উচ্চ শব্দের কারণে তারা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারছেন না। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের পরিবেশে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কায়েস আহমদ সালমান বলেন, এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে আগামী প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এ বিষয়ে বাউল সাধক দেওয়ান কলিম শা বলেন, প্রকৃত বাউল গান ছিল আধ্যাত্মিক ও মানবিক চর্চার প্রতীক, কিন্তু বর্তমান সময়ে কিছু ক্ষেত্রে এর বিকৃতি ঘটছে।
মাধবপুর থানার ওসি জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি নজরে এসেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং অশোভন কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন এলাকায় উচ্চস্বরে গান বাজনা ও কথিত বাউল গানের আসর নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে জন্মদিন ও ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এসব আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্চক্ষমতার সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে এসব অনুষ্ঠানে শব্দদূষণ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে অশালীন নাচ গান ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
পরীক্ষার্থী অঞ্জনা শীল ও আবু সাঈদ অভিযোগ করেন, নিয়মিত উচ্চ শব্দের কারণে তারা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারছেন না। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের পরিবেশে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কায়েস আহমদ সালমান বলেন, এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে আগামী প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এ বিষয়ে বাউল সাধক দেওয়ান কলিম শা বলেন, প্রকৃত বাউল গান ছিল আধ্যাত্মিক ও মানবিক চর্চার প্রতীক, কিন্তু বর্তমান সময়ে কিছু ক্ষেত্রে এর বিকৃতি ঘটছে।
মাধবপুর থানার ওসি জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি নজরে এসেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং অশোভন কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
