স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ রোনা আক্তার রুবিনার স্বামী আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে প্রবাসে রয়েছেন। স্বামী বিদেশে থাকায় তিনি একমাত্র কন্যাকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের দেখাশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও
প্রবাসী স্বামী বহন করেন।
অভিযোগ
রয়েছে, প্রায় এক বছর আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী জিতু মিয়া ও তার পরিবারের
সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রোনা আক্তার রুবিনার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি
বাদী হয়ে মো. জিতু মিয়া, রাসেল মিয়া, সাজু মিয়া, রাজু মিয়া, রাবিয়া বেগম, তানজিনা বেগম, মুতি মিয়া, ছালেমা খাতুন, মৌসুমী আক্তার ও রৌশনা আক্তারসহ
১০ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীর
দাবি, মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারকে
প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। সর্বশেষ গত ৪ জুলাই সকালে
অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তার ওপর আবারও হামলার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আরেকটি আবেদন করেন।
রোনা
আক্তার রুবিনা অভিযোগ করেন, আদালতে যাওয়ার পর থেকে অভিযুক্তরা তাদের বাড়ির চারপাশে অবস্থান নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। ফলে নিরাপত্তার অভাবে তিনি ও তার পরিবার
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কার্যত গৃহবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। এ কারণে তার
মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস তুলি দাসপাড়া ব্র্যাক স্কুলে নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না। এতে শিশুটির লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ
বিষয়ে দাসপাড়া ব্র্যাক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হুসনা আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীটির অনুপস্থিতির বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, অভিযোগটি তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ রোনা আক্তার রুবিনার স্বামী আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে প্রবাসে রয়েছেন। স্বামী বিদেশে থাকায় তিনি একমাত্র কন্যাকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের দেখাশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও
প্রবাসী স্বামী বহন করেন।
অভিযোগ
রয়েছে, প্রায় এক বছর আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী জিতু মিয়া ও তার পরিবারের
সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রোনা আক্তার রুবিনার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি
বাদী হয়ে মো. জিতু মিয়া, রাসেল মিয়া, সাজু মিয়া, রাজু মিয়া, রাবিয়া বেগম, তানজিনা বেগম, মুতি মিয়া, ছালেমা খাতুন, মৌসুমী আক্তার ও রৌশনা আক্তারসহ
১০ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীর
দাবি, মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারকে
প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। সর্বশেষ গত ৪ জুলাই সকালে
অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তার ওপর আবারও হামলার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আরেকটি আবেদন করেন।
রোনা
আক্তার রুবিনা অভিযোগ করেন, আদালতে যাওয়ার পর থেকে অভিযুক্তরা তাদের বাড়ির চারপাশে অবস্থান নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। ফলে নিরাপত্তার অভাবে তিনি ও তার পরিবার
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কার্যত গৃহবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। এ কারণে তার
মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস তুলি দাসপাড়া ব্র্যাক স্কুলে নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না। এতে শিশুটির লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ
বিষয়ে দাসপাড়া ব্র্যাক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হুসনা আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীটির অনুপস্থিতির বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, অভিযোগটি তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
