বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন সেবাখাতে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা, শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমকে জাতীয় উন্নয়ন, সামাজিক কল্যাণ এবং মানবিক সেবায় কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ‘ভেটেরানস বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে ‘ভেটেরান কী ও কেন’ এবং ‘কমান্ডার্স ওয়ার্কশপ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এ সেমিনারে বিভিন্ন বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের ভেটেরান সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত, বীর মুক্তিযোদ্ধা ভেটেরান মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান, বিপি, প্রধান উপদেষ্টা, ভেটেরানস বাংলাদেশ।
সভাপতিত্ব করেন ভেটেরান মেজর আমীন আহামেদ আফসারী, আহ্বায়ক, ভেটেরানস বাংলাদেশ।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমিনুল করিম, ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরান লেফটেন্যান্ট কর্নেল একেএম জাহিদ হোসেন, পিএসসি, ভেটেরান লেফটেন্যান্ট কর্নেল হেলাল উদ্দিন, পিএসসি এবং ভেটেরান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. দিদারুল আলম, পিএসসি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান বলেন, ভেটেরানস বাংলাদেশ একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সেবামূলক সংগঠন। দেশের ভেটেরানদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা, কল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং জাতীয় উন্নয়নে তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
সভাপতির লিখিত বক্তব্যে মেজর আমীন আহামেদ আফসারী বলেন, ‘ভেটেরান’ শুধু অবসরপ্রাপ্ত কোনো সদস্যের পরিচয় নয়; এটি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, শৃঙ্খলা ও দেশসেবার প্রতীক।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী ভেটেরানরা একটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার রক্ষক হিসেবে সম্মানিত। তাদের অর্জিত নেতৃত্বগুণ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজে লাগানো সম্ভব।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ভেটেরানদের যথাযথ সম্মান দেওয়া কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি তাদের প্রাপ্য অধিকার। অবসর জীবনে তাদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা একটি উন্নত রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ভেটেরানদের অভিজ্ঞতা তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। জাতীয় উন্নয়ন, মানবিক কার্যক্রম ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে তাদের দক্ষতাকে কাজে লাগানো গেলে দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ভেটেরানদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তাদের অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন এবং সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন সেবাখাতে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা, শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমকে জাতীয় উন্নয়ন, সামাজিক কল্যাণ এবং মানবিক সেবায় কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ‘ভেটেরানস বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে ‘ভেটেরান কী ও কেন’ এবং ‘কমান্ডার্স ওয়ার্কশপ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এ সেমিনারে বিভিন্ন বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের ভেটেরান সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত, বীর মুক্তিযোদ্ধা ভেটেরান মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান, বিপি, প্রধান উপদেষ্টা, ভেটেরানস বাংলাদেশ।
সভাপতিত্ব করেন ভেটেরান মেজর আমীন আহামেদ আফসারী, আহ্বায়ক, ভেটেরানস বাংলাদেশ।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমিনুল করিম, ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরান লেফটেন্যান্ট কর্নেল একেএম জাহিদ হোসেন, পিএসসি, ভেটেরান লেফটেন্যান্ট কর্নেল হেলাল উদ্দিন, পিএসসি এবং ভেটেরান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. দিদারুল আলম, পিএসসি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান বলেন, ভেটেরানস বাংলাদেশ একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সেবামূলক সংগঠন। দেশের ভেটেরানদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা, কল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং জাতীয় উন্নয়নে তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
সভাপতির লিখিত বক্তব্যে মেজর আমীন আহামেদ আফসারী বলেন, ‘ভেটেরান’ শুধু অবসরপ্রাপ্ত কোনো সদস্যের পরিচয় নয়; এটি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, শৃঙ্খলা ও দেশসেবার প্রতীক।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী ভেটেরানরা একটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার রক্ষক হিসেবে সম্মানিত। তাদের অর্জিত নেতৃত্বগুণ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজে লাগানো সম্ভব।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ভেটেরানদের যথাযথ সম্মান দেওয়া কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি তাদের প্রাপ্য অধিকার। অবসর জীবনে তাদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা একটি উন্নত রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ভেটেরানদের অভিজ্ঞতা তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। জাতীয় উন্নয়ন, মানবিক কার্যক্রম ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে তাদের দক্ষতাকে কাজে লাগানো গেলে দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ভেটেরানদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তাদের অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন এবং সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
