রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে টানা বৃষ্টির কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোর থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি দিনভর অব্যাহত থেকে মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বৃষ্টিপাত সহসা থামার সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, দেশের সব বিভাগেই এই বৃষ্টির প্রভাব পড়বে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বজ্রপাত, দমকা হাওয়া এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আকাশে ঘন মেঘমালা ও বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য এই দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কভাবে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়াই নিরাপদ। বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে চলা এবং আবহাওয়ার আপডেট নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে টানা বৃষ্টির কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোর থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি দিনভর অব্যাহত থেকে মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বৃষ্টিপাত সহসা থামার সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, দেশের সব বিভাগেই এই বৃষ্টির প্রভাব পড়বে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বজ্রপাত, দমকা হাওয়া এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আকাশে ঘন মেঘমালা ও বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য এই দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কভাবে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়াই নিরাপদ। বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে চলা এবং আবহাওয়ার আপডেট নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
