গোপালগঞ্জে ব্রি ধান-১০৮ জাতের ধানের শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়নের বোড়াশী দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় কৃষক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের জমিতে উৎপাদিত উন্নত এই জাতের ধান কেটে ফলন পরিমাপের মাধ্যমে মাঠ দিবসটি উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. মো: রফিকুল ইসলাম।
ব্রি গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও চিফ সাইন্টিফিক অফিসার ড. আমিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বৈজ্ঞানিক সহকারী মো: আব্দুল্লাহ আল মোমিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. মো: রোমেল বিশ্বাস, ডা. মো: হুমায়োন কবির, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাফরোজা আক্তার এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিনোদিনী সিকদারসহ স্থানীয় কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।
বক্তারা জানান, গোপালগঞ্জের মাটিতে ব্রি ধান-১০৮ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। প্রতি শতাংশ জমিতে গড় ফলন পাওয়া গেছে প্রায় ৩৭ কেজি। কৃষক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ৫২ শতাংশ জমিতে মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৮ মনেরও বেশি ধান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ ফলন ও বাজারমূল্যের কারণে ব্রি ধান-১০৮ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক একটি জাত হয়ে উঠেছে। এটি দেশের কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জে ব্রি ধান-১০৮ জাতের ধানের শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়নের বোড়াশী দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় কৃষক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের জমিতে উৎপাদিত উন্নত এই জাতের ধান কেটে ফলন পরিমাপের মাধ্যমে মাঠ দিবসটি উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. মো: রফিকুল ইসলাম।
ব্রি গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও চিফ সাইন্টিফিক অফিসার ড. আমিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বৈজ্ঞানিক সহকারী মো: আব্দুল্লাহ আল মোমিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. মো: রোমেল বিশ্বাস, ডা. মো: হুমায়োন কবির, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাফরোজা আক্তার এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিনোদিনী সিকদারসহ স্থানীয় কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।
বক্তারা জানান, গোপালগঞ্জের মাটিতে ব্রি ধান-১০৮ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। প্রতি শতাংশ জমিতে গড় ফলন পাওয়া গেছে প্রায় ৩৭ কেজি। কৃষক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ৫২ শতাংশ জমিতে মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৮ মনেরও বেশি ধান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ ফলন ও বাজারমূল্যের কারণে ব্রি ধান-১০৮ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক একটি জাত হয়ে উঠেছে। এটি দেশের কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
