শুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা চাই, সুস্থভাবে বাঁচতে চাই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ সুপেয় পানির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৫টার দিকে গোপালগঞ্জ-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার গোলাবাড়িয়া বাজার এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আর্সেনিক, আয়রন ও জীবাণুমুক্ত বিশুদ্ধ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ পানির সংকট দূর করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।
সভাপতির বক্তব্যে শাশ্বতী নাগ বলেন, এ অঞ্চলের উপরিভাগের পানিতে আর্সেনিক, তীব্র লবণাক্ততা এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জীবাণুর উপস্থিতি রয়েছে। এসব অনিরাপদ পানি ব্যবহারের কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের মধ্যে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রোগ্রাম অফিসার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, গোপালগঞ্জের মানুষের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে সরকারিভাবে দ্রুত আধুনিক পানি শোধনাগার বা বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাজারে বোতলজাত ও পানের উপযোগী পানির দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য পানি কিনে খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বক্তারা অবিলম্বে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
শুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা চাই, সুস্থভাবে বাঁচতে চাই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ সুপেয় পানির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৫টার দিকে গোপালগঞ্জ-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার গোলাবাড়িয়া বাজার এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আর্সেনিক, আয়রন ও জীবাণুমুক্ত বিশুদ্ধ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ পানির সংকট দূর করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।
সভাপতির বক্তব্যে শাশ্বতী নাগ বলেন, এ অঞ্চলের উপরিভাগের পানিতে আর্সেনিক, তীব্র লবণাক্ততা এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জীবাণুর উপস্থিতি রয়েছে। এসব অনিরাপদ পানি ব্যবহারের কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের মধ্যে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রোগ্রাম অফিসার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, গোপালগঞ্জের মানুষের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে সরকারিভাবে দ্রুত আধুনিক পানি শোধনাগার বা বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাজারে বোতলজাত ও পানের উপযোগী পানির দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য পানি কিনে খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বক্তারা অবিলম্বে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
