হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে এক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের মামলার এজাহারভুক্ত একমাত্র পলাতক আসামি মো. আবুল হোসেন (৩৫)-কে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯ ও র্যাব-১১-এর যৌথ আভিযানিক দল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে আসছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার নাঙ্গলবন্দ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মহামাটি গ্রামের মৃত সামাদ আলীর ছেলে। তিনি বানিয়াচং থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২৫)-এর ৯(১) ধারার মামলার একমাত্র এজাহারভুক্ত আসামি।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী। অভিযোগে বলা হয়, ইটভাটায় একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে পরিচয়ের পর অভিযুক্ত তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হলে বিয়ের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান অভিযুক্ত। এরপর ভুক্তভোগী বানিয়াচং থানায় মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে এক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের মামলার এজাহারভুক্ত একমাত্র পলাতক আসামি মো. আবুল হোসেন (৩৫)-কে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯ ও র্যাব-১১-এর যৌথ আভিযানিক দল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে আসছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার নাঙ্গলবন্দ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মহামাটি গ্রামের মৃত সামাদ আলীর ছেলে। তিনি বানিয়াচং থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২৫)-এর ৯(১) ধারার মামলার একমাত্র এজাহারভুক্ত আসামি।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী। অভিযোগে বলা হয়, ইটভাটায় একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে পরিচয়ের পর অভিযুক্ত তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হলে বিয়ের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান অভিযুক্ত। এরপর ভুক্তভোগী বানিয়াচং থানায় মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
