আসন্ন বাজেট ২০২৬–২৭–এর মূল লক্ষ্য হবে দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬–২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারের নতুন বাজেট দর্শন হবে “অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ”। এর মাধ্যমে দরিদ্র, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং গৃহিণীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করা হবে, যেখানে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ চালু করে খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য খাতে মানুষের নিজস্ব ব্যয় কমাতে ইউনিভার্সাল ও প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে কামার, কুমার, তাঁতী ও শিল্পীদের অন্তর্ভুক্ত করে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, সময়মতো অনুমোদন প্রদান এবং একটি নিয়ন্ত্রণমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।
এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা আনতে ড্যাশবোর্ড সিস্টেম চালু, পুঁজিবাজার সংস্কারে নতুন কমিশন গঠন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাহমিদা খাতুন, আজম জে চৌধুরী এবং শওকত আজিজ রাসেল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আবুল কাসেম।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
আসন্ন বাজেট ২০২৬–২৭–এর মূল লক্ষ্য হবে দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬–২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারের নতুন বাজেট দর্শন হবে “অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ”। এর মাধ্যমে দরিদ্র, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং গৃহিণীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করা হবে, যেখানে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ চালু করে খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য খাতে মানুষের নিজস্ব ব্যয় কমাতে ইউনিভার্সাল ও প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে কামার, কুমার, তাঁতী ও শিল্পীদের অন্তর্ভুক্ত করে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, সময়মতো অনুমোদন প্রদান এবং একটি নিয়ন্ত্রণমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।
এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা আনতে ড্যাশবোর্ড সিস্টেম চালু, পুঁজিবাজার সংস্কারে নতুন কমিশন গঠন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাহমিদা খাতুন, আজম জে চৌধুরী এবং শওকত আজিজ রাসেল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আবুল কাসেম।
