বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের ধানাগাতি এলাকায় জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে এক নারীকে কুপিয়ে আহত, মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার শিউলি বেগম (৪০) তার পৈত্রিক সম্পত্তির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী ও স্বজনদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে ছিলেন।
বর্তমানে তিনি বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বড় ভাই মনিরুল শেখের মাধ্যমে দায়ের করা অভিযোগে জাহেরুল শেখ (৪৫), মিনারা বেগম (৬০), সজল শেখ (১৯), মোতাহের (দেদো) শেখ (৫৫), ডালিম শেখ (২০), আজিজ শেখ (২২)সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২ মে সকালে পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে শিউলি বেগমের জমিতে প্রবেশ করে গাছ কেটে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি করে। একই সঙ্গে তার ভাইয়ের ঘেরাবেড়া ভাঙচুর করা হয়।
এ সময় শিউলি বেগম ও তার মা হামিদা বেগম বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কুড়ালের আঘাতে শিউলি বেগম গুরুতর আহত হন এবং পরে লাঠি ও লাথি দিয়ে তাকে মারধর করা হয়।
এছাড়া হামলার সময় শিউলি বেগমের মা ও মেয়েকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। শিউলি বেগমের পরনের কাপড় টানাটানি করে শ্লীলতাহানির অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও গবাদিপশু লুট করে নেয় এবং ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করে।
আহত শিউলি বেগম বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিজের ভাই ও বোনের হাতে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
তার মা হামিদা বেগম বলেন, সন্তানদের এমন আচরণ মেনে নেওয়া কঠিন। তিনি ঘটনার ন্যায়বিচার চান।
এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের ধানাগাতি এলাকায় জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে এক নারীকে কুপিয়ে আহত, মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার শিউলি বেগম (৪০) তার পৈত্রিক সম্পত্তির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী ও স্বজনদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে ছিলেন।
বর্তমানে তিনি বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বড় ভাই মনিরুল শেখের মাধ্যমে দায়ের করা অভিযোগে জাহেরুল শেখ (৪৫), মিনারা বেগম (৬০), সজল শেখ (১৯), মোতাহের (দেদো) শেখ (৫৫), ডালিম শেখ (২০), আজিজ শেখ (২২)সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২ মে সকালে পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে শিউলি বেগমের জমিতে প্রবেশ করে গাছ কেটে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি করে। একই সঙ্গে তার ভাইয়ের ঘেরাবেড়া ভাঙচুর করা হয়।
এ সময় শিউলি বেগম ও তার মা হামিদা বেগম বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কুড়ালের আঘাতে শিউলি বেগম গুরুতর আহত হন এবং পরে লাঠি ও লাথি দিয়ে তাকে মারধর করা হয়।
এছাড়া হামলার সময় শিউলি বেগমের মা ও মেয়েকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। শিউলি বেগমের পরনের কাপড় টানাটানি করে শ্লীলতাহানির অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও গবাদিপশু লুট করে নেয় এবং ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করে।
আহত শিউলি বেগম বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিজের ভাই ও বোনের হাতে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
তার মা হামিদা বেগম বলেন, সন্তানদের এমন আচরণ মেনে নেওয়া কঠিন। তিনি ঘটনার ন্যায়বিচার চান।
এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
