রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ঘোষণা মাহদী আমিনের

প্রশ্নফাঁস গুজবে কঠোর সরকার ‘জিরো টলারেন্স’

প্রশ্নফাঁস গুজবে কঠোর সরকার ‘জিরো টলারেন্স’
মাহদী আমিন, ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ভুয়া প্রশ্নপত্রের নামে প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ভুয়া প্রশ্নপত্র দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চক্রটি গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি করছিল।

মাহদী আমিন জানান, প্রশ্নফাঁসের গুজব রোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে এবং সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং জোরদার করা হয়েছে। কোনো চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপতৎপরতা চালালে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডও জানিয়েছে, একটি অসাধু গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি টেলিভিশন প্রতিবেদনে যে প্রশ্নফাঁসের দাবি করা হয়েছিল, তা বিশ্লেষণে স্পষ্ট এটি প্রকৃত প্রশ্নফাঁস নয়, বরং সুপরিকল্পিত প্রতারণা। প্রতারকরা প্রথমে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা নেয়, পরে সময়ক্ষেপণ করে এবং শেষ পর্যন্ত গ্রুপ বন্ধ করে উধাও হয়ে যায়।

এছাড়া তাদের আরেকটি কৌশল হলো পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর প্রকৃত প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগে ফাঁস হয়েছিল বলে উপস্থাপন করা, যাতে শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে তাদের ফাঁদে পড়ে।

উল্লেখ্য, প্রমাণের অভাবে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলটি তাদের প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং ত্রুটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

মাহদী আমিন বলেন, বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্মও নিশ্চিত করেছে এটি প্রশ্নফাঁস নয়, বরং প্রতারণা। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সবশেষে তিনি সবাইকে অপপ্রচারে কান না দিয়ে তথ্য যাচাই করে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল।

#প্রশ্নফাঁস #জিরোটলারেন্স #বাংলাদেশশিক্ষা

চেকপোস্ট

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


প্রশ্নফাঁস গুজবে কঠোর সরকার ‘জিরো টলারেন্স’

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ভুয়া প্রশ্নপত্রের নামে প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ভুয়া প্রশ্নপত্র দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চক্রটি গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি করছিল।

মাহদী আমিন জানান, প্রশ্নফাঁসের গুজব রোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে এবং সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং জোরদার করা হয়েছে। কোনো চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপতৎপরতা চালালে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডও জানিয়েছে, একটি অসাধু গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি টেলিভিশন প্রতিবেদনে যে প্রশ্নফাঁসের দাবি করা হয়েছিল, তা বিশ্লেষণে স্পষ্ট এটি প্রকৃত প্রশ্নফাঁস নয়, বরং সুপরিকল্পিত প্রতারণা। প্রতারকরা প্রথমে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা নেয়, পরে সময়ক্ষেপণ করে এবং শেষ পর্যন্ত গ্রুপ বন্ধ করে উধাও হয়ে যায়।

এছাড়া তাদের আরেকটি কৌশল হলো পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর প্রকৃত প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগে ফাঁস হয়েছিল বলে উপস্থাপন করা, যাতে শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে তাদের ফাঁদে পড়ে।

উল্লেখ্য, প্রমাণের অভাবে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলটি তাদের প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং ত্রুটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

মাহদী আমিন বলেন, বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্মও নিশ্চিত করেছে এটি প্রশ্নফাঁস নয়, বরং প্রতারণা। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সবশেষে তিনি সবাইকে অপপ্রচারে কান না দিয়ে তথ্য যাচাই করে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত