ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ এলাকায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে মাদক ব্যবসা ও প্রতারণার অভিযোগে এক নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে শৈলকূপা থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে গাড়াগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। একই সঙ্গে তারা মাদক পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত একটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে নারী সদস্য মাদক পরিবহনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শৈলকূপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান চলমান থাকবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের ভুয়া পরিচয়ে অপরাধ দমনে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ এলাকায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে মাদক ব্যবসা ও প্রতারণার অভিযোগে এক নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে শৈলকূপা থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে গাড়াগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। একই সঙ্গে তারা মাদক পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত একটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে নারী সদস্য মাদক পরিবহনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শৈলকূপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান চলমান থাকবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের ভুয়া পরিচয়ে অপরাধ দমনে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
