হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বন বিটে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ আবদুর রহমান। এ সময় তিনি বাগান রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাকৃতিক বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
শনিবার সকালে শায়েস্তাগঞ্জ ফরেস্ট রেঞ্জের আওতাধীন বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বন বিট এলাকায় ২০২৫ সালের ১০ এস-আর ও ১৫ এল-আর হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান।
পরিদর্শনকালে তিনি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দফা উইডিং (আগাছা পরিষ্কার) এবং বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সফলতা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি বাগানের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা, বন বিট কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট স্টাফদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া বাগানে খাড়া গাছের নিলামকৃত লটের গাছ আহরণ প্রক্রিয়া নিয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি। বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি নিয়ম মেনে গাছ আহরণ এবং বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা।
পরিদর্শন শেষে তিনি প্রাকৃতিক বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, বাগানের নিয়মিত পরিচর্যা এবং নতুন করে চারা রোপণের মাধ্যমে বনভূমির শূন্যস্থান পূরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বন বিটে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ আবদুর রহমান। এ সময় তিনি বাগান রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাকৃতিক বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
শনিবার সকালে শায়েস্তাগঞ্জ ফরেস্ট রেঞ্জের আওতাধীন বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বন বিট এলাকায় ২০২৫ সালের ১০ এস-আর ও ১৫ এল-আর হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান।
পরিদর্শনকালে তিনি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দফা উইডিং (আগাছা পরিষ্কার) এবং বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সফলতা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি বাগানের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা, বন বিট কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট স্টাফদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া বাগানে খাড়া গাছের নিলামকৃত লটের গাছ আহরণ প্রক্রিয়া নিয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি। বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি নিয়ম মেনে গাছ আহরণ এবং বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা।
পরিদর্শন শেষে তিনি প্রাকৃতিক বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, বাগানের নিয়মিত পরিচর্যা এবং নতুন করে চারা রোপণের মাধ্যমে বনভূমির শূন্যস্থান পূরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
