বাংলাদেশ সকলের সংবিধান অনুযায়ী জন্মসূত্রে প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্রের সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী বলে মন্তব্য করেছেন পাবনা জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ইসিএসএপি প্রকল্পের সিএসওদের কার্যকর অংশগ্রহণে নাগরিক পরিসর সম্প্রসারণে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক সংযোগ ও সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের নিজেদের রাষ্ট্রের ‘প্রথম শ্রেণির নাগরিক’ মনে করে অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জন্য বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা দিয়েছে। এসব সুযোগ গ্রহণের মানসিকতা তৈরি হলে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন সম্ভব।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস মনিটরিং কর্মকর্তা কামাল আহমেদ সিদ্দিকীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভা শুরু হয়।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা ও সিনিয়র সিভিল জজ মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, সবার জন্য আইনি সহায়তা ও সেবা দিতে লিগ্যাল এইড অফিস সবসময় উন্মুক্ত। যেকোনো আইনি প্রয়োজনে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্প্রদায়ভিত্তিক স্কুল প্রতিষ্ঠা, মন্দির নির্মাণ, আবাসন ও ভূমি বরাদ্দসহ সরকারি সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটন ঢালী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উম্মে তাবাসুম এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইয়াসমিন মনিরাসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী-পুরুষরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ সকলের সংবিধান অনুযায়ী জন্মসূত্রে প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্রের সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী বলে মন্তব্য করেছেন পাবনা জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ইসিএসএপি প্রকল্পের সিএসওদের কার্যকর অংশগ্রহণে নাগরিক পরিসর সম্প্রসারণে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক সংযোগ ও সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের নিজেদের রাষ্ট্রের ‘প্রথম শ্রেণির নাগরিক’ মনে করে অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জন্য বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা দিয়েছে। এসব সুযোগ গ্রহণের মানসিকতা তৈরি হলে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন সম্ভব।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস মনিটরিং কর্মকর্তা কামাল আহমেদ সিদ্দিকীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভা শুরু হয়।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা ও সিনিয়র সিভিল জজ মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, সবার জন্য আইনি সহায়তা ও সেবা দিতে লিগ্যাল এইড অফিস সবসময় উন্মুক্ত। যেকোনো আইনি প্রয়োজনে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্প্রদায়ভিত্তিক স্কুল প্রতিষ্ঠা, মন্দির নির্মাণ, আবাসন ও ভূমি বরাদ্দসহ সরকারি সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটন ঢালী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উম্মে তাবাসুম এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইয়াসমিন মনিরাসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী-পুরুষরা উপস্থিত ছিলেন।
