নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যায় ২ হাজার ৫০০টির বেশি ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। ইউরোপের কোপার্নিকাস পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
কোপার্নিকাসের জরুরি ব্যবস্থাপনা পরিষেবার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি এলাকায় থাকা মোট ভবনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। আংশিক ক্ষতি হিসাব করলে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার সংখ্যা আরও বেড়ে ৭০ শতাংশের বেশি দাঁড়িয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরে অবস্থিত তিমুরে, স্যাব্রুবেশি ও বিদুর শহরের কিছু অংশ। দুর্যোগের আগে এসব এলাকায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ বসবাস করতেন।
ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ের একটি বিশাল হিমবাহ ধসে পড়ার পর এই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। হিমবাহ থেকে বরফ, পানি, পাথর ও কাদার ভয়াবহ স্রোত প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের গিরং সীমান্তচৌকিতে আঘাত হানে।
তিমুরে ও আশপাশের এলাকায় ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। এর প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত স্যাব্রুবেশিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ স্থাপনা।
স্যাব্রুবেশি লাংটাং ট্রেকের প্রবেশপথ এবং হিন্দু তীর্থযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা।
অন্যদিকে নুওয়াকোট জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র বিদুরের নদীতীরবর্তী এলাকায় ১ হাজার ৮০০টির বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। অর্থাৎ ওই এলাকার প্রতি পাঁচটি ভবনের মধ্যে প্রায় তিনটি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বন্যায় শুধু বসতবাড়ি নয়, ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সড়ক ও সেতুরও। এতে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যায় ২ হাজার ৫০০টির বেশি ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। ইউরোপের কোপার্নিকাস পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
কোপার্নিকাসের জরুরি ব্যবস্থাপনা পরিষেবার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি এলাকায় থাকা মোট ভবনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। আংশিক ক্ষতি হিসাব করলে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার সংখ্যা আরও বেড়ে ৭০ শতাংশের বেশি দাঁড়িয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরে অবস্থিত তিমুরে, স্যাব্রুবেশি ও বিদুর শহরের কিছু অংশ। দুর্যোগের আগে এসব এলাকায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ বসবাস করতেন।
ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ের একটি বিশাল হিমবাহ ধসে পড়ার পর এই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। হিমবাহ থেকে বরফ, পানি, পাথর ও কাদার ভয়াবহ স্রোত প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের গিরং সীমান্তচৌকিতে আঘাত হানে।
তিমুরে ও আশপাশের এলাকায় ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। এর প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত স্যাব্রুবেশিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ স্থাপনা।
স্যাব্রুবেশি লাংটাং ট্রেকের প্রবেশপথ এবং হিন্দু তীর্থযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা।
অন্যদিকে নুওয়াকোট জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র বিদুরের নদীতীরবর্তী এলাকায় ১ হাজার ৮০০টির বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। অর্থাৎ ওই এলাকার প্রতি পাঁচটি ভবনের মধ্যে প্রায় তিনটি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বন্যায় শুধু বসতবাড়ি নয়, ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সড়ক ও সেতুরও। এতে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
