নীলফামারীতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ডলার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।
আটক ব্যক্তি মো. আব্দুল মান্নান (৪০)। তিনি সৈয়দপুর উপজেলা-এর বোতলাগাড়ী (খর্দপাড়া) এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গত ২৩ এপ্রিল ডলার দেওয়ার নামে প্রতারণার শিকার হয়ে একই উপজেলার বাসিন্দা মো. মিলন মিয়া (৪৫) ডিবি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, একটি চক্র তাকে ডলার সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবি পুলিশ তদন্তে নামে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর জেলা ডিবির অফিসার ইনচার্জ মো. মতলুবর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়।
অভিযানে নীলফামারী সদর উপজেলা-এর বড়ুয়া বাজার এলাকা থেকে চক্রের সক্রিয় সদস্য আব্দুল মান্নানকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, সহযোগীদের সঙ্গে মিলে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয় এবং মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয়। ডলার দেওয়ার কথা বলে তারা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেয়।
পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় নীলফামারী সদর থানায় একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এদিকে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
নীলফামারীতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ডলার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।
আটক ব্যক্তি মো. আব্দুল মান্নান (৪০)। তিনি সৈয়দপুর উপজেলা-এর বোতলাগাড়ী (খর্দপাড়া) এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গত ২৩ এপ্রিল ডলার দেওয়ার নামে প্রতারণার শিকার হয়ে একই উপজেলার বাসিন্দা মো. মিলন মিয়া (৪৫) ডিবি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, একটি চক্র তাকে ডলার সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবি পুলিশ তদন্তে নামে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর জেলা ডিবির অফিসার ইনচার্জ মো. মতলুবর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়।
অভিযানে নীলফামারী সদর উপজেলা-এর বড়ুয়া বাজার এলাকা থেকে চক্রের সক্রিয় সদস্য আব্দুল মান্নানকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, সহযোগীদের সঙ্গে মিলে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয় এবং মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয়। ডলার দেওয়ার কথা বলে তারা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেয়।
পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় নীলফামারী সদর থানায় একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এদিকে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
