ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সাবেক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা আসাদুজ্জামান খোকনকে আটক করে গণধোলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) উপজেলার হরিপুর জমিদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে আসাদুজ্জামান খোকন বন্ধুদের সঙ্গে নাসিরনগরের হরিপুর জমিদার বাড়িতে ঘুরতে যান। দিনভর সেখানে অবস্থানের পর বিকেলে স্থানীয় কয়েকজন তাকে আটক করেন। একপর্যায়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয়রা তাকে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি মারতে থাকলে তিনি গুরুতর আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত আসাদুজ্জামান খোকনকে উদ্ধার করে। পরে তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আসাদুজ্জামান খোকন নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির সাবেক নেতা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
তবে কী কারণে তাকে আটক করে মারধর করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট অন্য কারও বিস্তারিত বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সাবেক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা আসাদুজ্জামান খোকনকে আটক করে গণধোলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) উপজেলার হরিপুর জমিদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে আসাদুজ্জামান খোকন বন্ধুদের সঙ্গে নাসিরনগরের হরিপুর জমিদার বাড়িতে ঘুরতে যান। দিনভর সেখানে অবস্থানের পর বিকেলে স্থানীয় কয়েকজন তাকে আটক করেন। একপর্যায়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয়রা তাকে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি মারতে থাকলে তিনি গুরুতর আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত আসাদুজ্জামান খোকনকে উদ্ধার করে। পরে তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আসাদুজ্জামান খোকন নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির সাবেক নেতা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
তবে কী কারণে তাকে আটক করে মারধর করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট অন্য কারও বিস্তারিত বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
