বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সর্বশেষ

নাসিরনগরে কুন্ডা নয়াপাড়া স্কুলের মিড-ডে মিলের দুধ চুরির অভিযোগ, উদ্ধার দুই কার্টন,

নাসিরনগরে কুন্ডা নয়াপাড়া স্কুলের মিড-ডে মিলের দুধ চুরির অভিযোগ, উদ্ধার দুই কার্টন,
চেকপোস্ট

‎নাসিরনগরে কুন্ডা নয়াপাড়া স্কুলের মিড-ডে মিলের দুধ চুরির অভিযোগ, উদ্ধার দুই কার্টন,

‎

‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত মিড-ডে মিলের দুধ ও অন্যান্য সামগ্রী চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় একটি মুদি দোকান থেকে চুরি যাওয়া দুই কার্টন দুধ উদ্ধার করা হয়েছে।

‎

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই চুরির ঘটনায় কুন্ডা নয়াপাড়া গ্রামের আলমগীর মিয়ার ছেলে সাদির মিয়ার (২৫) নাম উঠে এসেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

‎

‎বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাবারক মিয়া জানান, গত ১৭ অক্টোবর সকালে বিদ্যালয়ে এসে তিনি একটি কক্ষের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত দুধ ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী নেই। পরে তিনি বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অবহিত করেন।

‎

‎তিনি আরও বলেন, "শিশুদের খাবার চুরি, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় কাজ। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

‎

‎খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয় শামসুল হক ভূঁইয়ার মুদি দোকানে দুই কার্টন সরকারি দুধের সন্ধান পাওয়া যায়।

‎

‎এ বিষয়ে দোকানদার শামসুল হক ভূঁইয়া বলেন, কুন্ডা নয়াপাড়ার আলমগীর মিয়ার ছেলে সাদির মিয়া আমার দোকানে এসে দুধগুলো রেখে যায় এবং বিক্রির পর টাকা পরিশোধ করার কথা বলে ৫০০ টাকা অগ্রিম নিয়ে যায়। তবে এগুলো যে স্কুলের বরাদ্দের দুধ তা আমি জানতাম না।"

‎

‎তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সাদির মিয়া বলেন, আমি চুরি করিনি। বিদ্যালয়ের কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের হল ঘরের সামনে থেকে কুড়িয়ে পেয়েছি।

‎

‎তার এই বক্তব্য নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে হাস্যরস ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

‎

‎এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইসহাক মিয়া বলেন, "বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আমরা ঘটনাটি থানায় অবহিত করেছি। পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি শিশু খাদ্য নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

‎

‎এদিকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও সচেতন মহল।

‎

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


নাসিরনগরে কুন্ডা নয়াপাড়া স্কুলের মিড-ডে মিলের দুধ চুরির অভিযোগ, উদ্ধার দুই কার্টন,

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

‎নাসিরনগরে কুন্ডা নয়াপাড়া স্কুলের মিড-ডে মিলের দুধ চুরির অভিযোগ, উদ্ধার দুই কার্টন,

‎

‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত মিড-ডে মিলের দুধ ও অন্যান্য সামগ্রী চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় একটি মুদি দোকান থেকে চুরি যাওয়া দুই কার্টন দুধ উদ্ধার করা হয়েছে।

‎

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই চুরির ঘটনায় কুন্ডা নয়াপাড়া গ্রামের আলমগীর মিয়ার ছেলে সাদির মিয়ার (২৫) নাম উঠে এসেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

‎

‎বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাবারক মিয়া জানান, গত ১৭ অক্টোবর সকালে বিদ্যালয়ে এসে তিনি একটি কক্ষের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত দুধ ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী নেই। পরে তিনি বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অবহিত করেন।

‎

‎তিনি আরও বলেন, "শিশুদের খাবার চুরি, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় কাজ। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

‎

‎খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয় শামসুল হক ভূঁইয়ার মুদি দোকানে দুই কার্টন সরকারি দুধের সন্ধান পাওয়া যায়।

‎

‎এ বিষয়ে দোকানদার শামসুল হক ভূঁইয়া বলেন, কুন্ডা নয়াপাড়ার আলমগীর মিয়ার ছেলে সাদির মিয়া আমার দোকানে এসে দুধগুলো রেখে যায় এবং বিক্রির পর টাকা পরিশোধ করার কথা বলে ৫০০ টাকা অগ্রিম নিয়ে যায়। তবে এগুলো যে স্কুলের বরাদ্দের দুধ তা আমি জানতাম না।"

‎

‎তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সাদির মিয়া বলেন, আমি চুরি করিনি। বিদ্যালয়ের কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের হল ঘরের সামনে থেকে কুড়িয়ে পেয়েছি।

‎

‎তার এই বক্তব্য নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে হাস্যরস ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

‎

‎এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইসহাক মিয়া বলেন, "বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আমরা ঘটনাটি থানায় অবহিত করেছি। পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি শিশু খাদ্য নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

‎

‎এদিকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও সচেতন মহল।

‎


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত