চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে এক ভ্যানচালক মারধর ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোগী ভর্তি করা নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক বারেক ওই ভ্যানচালককে লাথি মেরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার (২১ আগস্ট) ২০২৬ সালের সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ভ্যানচালক তারিফ হোসেনের ছেলে ইমন জানান, সকালে তার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা ও ভর্তি করানোর জন্য তাঁরা হাসপাতালে যান। সেখানে ভর্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অ্যাম্বুলেন্স চালক বারেক ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবাকে লাথি মেরে মারধর করেন এবং জোরপূর্বক হাসপাতাল এলাকা থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইমন আরও অভিযোগ করেন, কর্তব্যরত চিকিৎসকরাও তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেছেন এবং প্রশাসনিক প্রভাব ও পুলিশের ভয় দেখিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য করেছেন।
আক্ষেপ করে ইমন বলেন, “আমরা দরিদ্র মানুষ। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি এভাবে অপমান ও মারধরের শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?”
স্থানীয়দের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্স চালক বারেকের বিরুদ্ধে এর আগেও রোগী, স্বজন এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম করে আসছেন বলেও দাবি করেন কেউ কেউ।
এ ঘটনায় নাচোল এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তারা জেলা সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে এক ভ্যানচালক মারধর ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোগী ভর্তি করা নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক বারেক ওই ভ্যানচালককে লাথি মেরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার (২১ আগস্ট) ২০২৬ সালের সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ভ্যানচালক তারিফ হোসেনের ছেলে ইমন জানান, সকালে তার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা ও ভর্তি করানোর জন্য তাঁরা হাসপাতালে যান। সেখানে ভর্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অ্যাম্বুলেন্স চালক বারেক ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবাকে লাথি মেরে মারধর করেন এবং জোরপূর্বক হাসপাতাল এলাকা থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইমন আরও অভিযোগ করেন, কর্তব্যরত চিকিৎসকরাও তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেছেন এবং প্রশাসনিক প্রভাব ও পুলিশের ভয় দেখিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য করেছেন।
আক্ষেপ করে ইমন বলেন, “আমরা দরিদ্র মানুষ। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি এভাবে অপমান ও মারধরের শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?”
স্থানীয়দের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্স চালক বারেকের বিরুদ্ধে এর আগেও রোগী, স্বজন এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম করে আসছেন বলেও দাবি করেন কেউ কেউ।
এ ঘটনায় নাচোল এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তারা জেলা সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন স্থানীয়রা।
