অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম আর ক্রিকেট প্রতিভার জোরে অভাবকে জয় করে আলো ছড়াচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের কিশোর ক্রিকেটার শামীম। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস অনূর্ধ্ব-১৪ ২০২৫-২৬’ টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে তিনি অর্জন করেছেন ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট হওয়ার গৌরব।
সম্প্রতি শেষ হওয়া নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬ টুর্নামেন্টে রাজশাহী বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। এই আসরে ‘মিষ্টিরিয়ারস’ দলের হয়ে খেলেন নাচোলের উদীয়মান স্পিনার শামীম। মাত্র ৩ ম্যাচে ৮ উইকেট শিকার করে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের নাস্তানাবুদ করেন তিনি। তাঁর ঘূর্ণি জাদুতে মুগ্ধ হন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের এক সাধারণ ভ্যানচালক পরিবারের সন্তান শামীম। আর্থিক সংকট থাকলেও ক্রিকেটের প্রতি তাঁর অদম্য ভালোবাসা কখনো থামাতে পারেনি স্বপ্নের পথচলা। নাচোলের পরিচিত ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান এনকেএসপি এর নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কঠোর অনুশীলন তাঁর প্রতিভাকে আরও শাণিত করেছে।
শামীমের এই সাফল্যে পরিবার, কোচ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। নাচোলের মানুষ এখন এই ক্ষুদে ক্রিকেটারের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। পাশাপাশি তাঁর প্রতিভার বিকাশে সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবিও উঠেছে।
দারিদ্র্যকে হারিয়ে শামীম প্রমাণ করেছেন প্রতিভা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনো বাধা পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। নাচোলবাসীর প্রত্যাশা, একদিন জাতীয় ক্রিকেট দলের লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা যাবে এই প্রতিভাবান স্পিনারকে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম আর ক্রিকেট প্রতিভার জোরে অভাবকে জয় করে আলো ছড়াচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের কিশোর ক্রিকেটার শামীম। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস অনূর্ধ্ব-১৪ ২০২৫-২৬’ টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে তিনি অর্জন করেছেন ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট হওয়ার গৌরব।
সম্প্রতি শেষ হওয়া নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬ টুর্নামেন্টে রাজশাহী বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। এই আসরে ‘মিষ্টিরিয়ারস’ দলের হয়ে খেলেন নাচোলের উদীয়মান স্পিনার শামীম। মাত্র ৩ ম্যাচে ৮ উইকেট শিকার করে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের নাস্তানাবুদ করেন তিনি। তাঁর ঘূর্ণি জাদুতে মুগ্ধ হন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের এক সাধারণ ভ্যানচালক পরিবারের সন্তান শামীম। আর্থিক সংকট থাকলেও ক্রিকেটের প্রতি তাঁর অদম্য ভালোবাসা কখনো থামাতে পারেনি স্বপ্নের পথচলা। নাচোলের পরিচিত ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান এনকেএসপি এর নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কঠোর অনুশীলন তাঁর প্রতিভাকে আরও শাণিত করেছে।
শামীমের এই সাফল্যে পরিবার, কোচ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। নাচোলের মানুষ এখন এই ক্ষুদে ক্রিকেটারের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। পাশাপাশি তাঁর প্রতিভার বিকাশে সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবিও উঠেছে।
দারিদ্র্যকে হারিয়ে শামীম প্রমাণ করেছেন প্রতিভা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনো বাধা পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। নাচোলবাসীর প্রত্যাশা, একদিন জাতীয় ক্রিকেট দলের লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা যাবে এই প্রতিভাবান স্পিনারকে।
