সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরে অভিযান চালিয়ে ইলেকট্রিক শট দিয়ে মাছ শিকারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে রুপনগর আনসার ক্যাম্পের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ্ রিপামনি দেবীর নির্দেশনায় টাঙ্গুয়ার হাওরের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে ইলেকট্রিক শট দিয়ে মাছ শিকারে ব্যবহৃত তিনটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি, ইলেকট্রনিক নেট জালসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় অবৈধ ও নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ শিকার বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় হাওরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ রিপামনি দেবী বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ শিকার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। হাওরের পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টাঙ্গুয়ার হাওরের মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা প্রয়োজন। হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতনভাবে সহযোগিতা করা জরুরি।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরে অভিযান চালিয়ে ইলেকট্রিক শট দিয়ে মাছ শিকারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে রুপনগর আনসার ক্যাম্পের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ্ রিপামনি দেবীর নির্দেশনায় টাঙ্গুয়ার হাওরের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে ইলেকট্রিক শট দিয়ে মাছ শিকারে ব্যবহৃত তিনটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি, ইলেকট্রনিক নেট জালসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় অবৈধ ও নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ শিকার বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় হাওরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ রিপামনি দেবী বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ শিকার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। হাওরের পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টাঙ্গুয়ার হাওরের মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা প্রয়োজন। হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতনভাবে সহযোগিতা করা জরুরি।
