সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা বিতরণের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় তারা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে দিরাই পৌরসভার থানা পয়েন্ট এলাকায় উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের কয়েক শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে ৮ থেকে ১০ জন বেনামি ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী এবং কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন ব্যক্তিদের নামও সহায়তা পাওয়ার তালিকায় রয়েছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুস ছামাদ বলেন, তিনি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা জমা দিয়েছিলেন এবং সেটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে টাঙানো হয়েছিল। কিন্তু পরে অজ্ঞাত কারণে তালিকা পরিবর্তন করে অযোগ্য ব্যক্তিদের নামে সহায়তার বিল দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
১ নম্বর ওয়ার্ডের এক কৃষক অভিযোগ করেন, তার ওয়ার্ডে ৭ থেকে ৮ জন এমন ব্যক্তির নাম রয়েছে, যারা ওই এলাকার বাসিন্দাই নন। তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর অন্য জেলার হওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে।
মানববন্ধনে ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কুমোদ দাস, সাবেক ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন দাস, চয়ন চক্রবর্তী, হাজী কেরামত আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।
পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজিব সরকারের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
এ বিষয়ে ইউএনও সনজিব সরকার বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা বিতরণের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় তারা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে দিরাই পৌরসভার থানা পয়েন্ট এলাকায় উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের কয়েক শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে ৮ থেকে ১০ জন বেনামি ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী এবং কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন ব্যক্তিদের নামও সহায়তা পাওয়ার তালিকায় রয়েছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুস ছামাদ বলেন, তিনি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা জমা দিয়েছিলেন এবং সেটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে টাঙানো হয়েছিল। কিন্তু পরে অজ্ঞাত কারণে তালিকা পরিবর্তন করে অযোগ্য ব্যক্তিদের নামে সহায়তার বিল দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
১ নম্বর ওয়ার্ডের এক কৃষক অভিযোগ করেন, তার ওয়ার্ডে ৭ থেকে ৮ জন এমন ব্যক্তির নাম রয়েছে, যারা ওই এলাকার বাসিন্দাই নন। তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর অন্য জেলার হওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে।
মানববন্ধনে ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কুমোদ দাস, সাবেক ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন দাস, চয়ন চক্রবর্তী, হাজী কেরামত আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।
পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজিব সরকারের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
এ বিষয়ে ইউএনও সনজিব সরকার বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
