তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিনয়শিল্পীদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তার মতে, এ ধরনের ঘটনা শোবিজ অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ফারিয়া বলেন, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। এটি শুধু বিব্রতকর নয়, বরং বিনোদন জগতের দুর্বল অবস্থারও প্রকাশ।
তিনি লেখেন, মতবিরোধ বা দ্বন্দ্ব হলেই তা আদালতে নিয়ে যাওয়া কোনো দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নয়। বরং এটি একটি পশ্চাৎমুখী মানসিকতার প্রতিফলন।
ফারিয়ার ভাষ্য, প্রতিটি সমস্যার সমাধানে আইনি লড়াইয়ের পরিবর্তে পারস্পরিক বোঝাপড়া, আলোচনা ও পরিণত মানসিকতার প্রয়োজন। প্রকাশ্য অপমান ও অপ্রয়োজনীয় মামলা সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
সম্প্রতি ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে একটি শাড়ি সংক্রান্ত মামলায় আদালতে হাজির হতে হয়। পরে তিনি জামিন পান। এ ঘটনাকে ঘিরেই শিল্পীদের ব্যক্তিগত বিরোধ ও আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে আদালত ও মামলার অভিজ্ঞতা থেকে নুসরাত ফারিয়াও পুরোপুরি দূরে নন। গত বছরের মে মাসে রাজধানীর ভাটারা থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেন তিনি। পরে জামিনে মুক্তি পান এই অভিনেত্রী।
চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া নুসরাত ফারিয়া ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বেড়ে ওঠেন। উপস্থাপনার মাধ্যমে মিডিয়ায় যাত্রা শুরু করে পরে চলচ্চিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
২০১৫ সালে ‘আশিকি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ‘হিরো ৪২০’, ‘বাদশা দ্য ডন’, ‘প্রেমী ও প্রেমী’, ‘অপারেশন সুন্দরবন’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।
নুসরাত ফারিয়ার মন্তব্যের পর শিল্পীদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, সামাজিক মর্যাদা এবং আইনি পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিনয়শিল্পীদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তার মতে, এ ধরনের ঘটনা শোবিজ অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ফারিয়া বলেন, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। এটি শুধু বিব্রতকর নয়, বরং বিনোদন জগতের দুর্বল অবস্থারও প্রকাশ।
তিনি লেখেন, মতবিরোধ বা দ্বন্দ্ব হলেই তা আদালতে নিয়ে যাওয়া কোনো দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নয়। বরং এটি একটি পশ্চাৎমুখী মানসিকতার প্রতিফলন।
ফারিয়ার ভাষ্য, প্রতিটি সমস্যার সমাধানে আইনি লড়াইয়ের পরিবর্তে পারস্পরিক বোঝাপড়া, আলোচনা ও পরিণত মানসিকতার প্রয়োজন। প্রকাশ্য অপমান ও অপ্রয়োজনীয় মামলা সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
সম্প্রতি ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে একটি শাড়ি সংক্রান্ত মামলায় আদালতে হাজির হতে হয়। পরে তিনি জামিন পান। এ ঘটনাকে ঘিরেই শিল্পীদের ব্যক্তিগত বিরোধ ও আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে আদালত ও মামলার অভিজ্ঞতা থেকে নুসরাত ফারিয়াও পুরোপুরি দূরে নন। গত বছরের মে মাসে রাজধানীর ভাটারা থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেন তিনি। পরে জামিনে মুক্তি পান এই অভিনেত্রী।
চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া নুসরাত ফারিয়া ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বেড়ে ওঠেন। উপস্থাপনার মাধ্যমে মিডিয়ায় যাত্রা শুরু করে পরে চলচ্চিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
২০১৫ সালে ‘আশিকি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ‘হিরো ৪২০’, ‘বাদশা দ্য ডন’, ‘প্রেমী ও প্রেমী’, ‘অপারেশন সুন্দরবন’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।
নুসরাত ফারিয়ার মন্তব্যের পর শিল্পীদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, সামাজিক মর্যাদা এবং আইনি পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
