ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে শিক্ষার্থীদের ওপর গাড়ি উঠে যাওয়ার ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন। আহত সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ৩২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় গাড়ির চালকের আসনে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদমান। তিনি গাড়ি চালানো শিখছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীরা বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একটি গাড়ি তাঁদের ওপর উঠে যায়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে সহপাঠীরা তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
তাঁদের প্রশ্ন, ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর ক্যাম্পাসের একটি এলাকায় কীভাবে গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ চলতে পারে। চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল কি না, তা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সাদমানকে আটক করেন বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি প্রথমবার গাড়ি চালানোর কথা স্বীকার করেন।
তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ, চালকের লাইসেন্স ছিল কি না এবং এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে শিক্ষার্থীদের ওপর গাড়ি উঠে যাওয়ার ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন। আহত সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ৩২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় গাড়ির চালকের আসনে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদমান। তিনি গাড়ি চালানো শিখছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীরা বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একটি গাড়ি তাঁদের ওপর উঠে যায়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে সহপাঠীরা তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
তাঁদের প্রশ্ন, ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর ক্যাম্পাসের একটি এলাকায় কীভাবে গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ চলতে পারে। চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল কি না, তা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সাদমানকে আটক করেন বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি প্রথমবার গাড়ি চালানোর কথা স্বীকার করেন।
তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ, চালকের লাইসেন্স ছিল কি না এবং এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
