রাজধানীতে শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক সংগঠনের নামে ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪। একইসঙ্গে পৃথক অভিযানে ২ লাখ ১৬ হাজার ৯ শত টাকার জাল নোটসহ আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, “বাংলাদেশ আমার অহংকার” স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর অপরাধ দমনে কাজ করে আসছে বাহিনীটি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ মে সন্ধ্যায় র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা মহানগরীর কেরানীগঞ্জ থানার নাজিরাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারণা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. রাসেল আহমেদ (৩৮) কে গ্রেফতার করে।
মামলার এজাহার ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দেশের অন্যতম শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠন “ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)” তে ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে সিনিয়র অফিসার হিসেবে যোগ দেন রাসেল আহমেদ। ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত কর্মরত থাকাকালে তিনি প্রতিষ্ঠানের পুরোনো সদস্যদের তথ্য অপব্যবহার, ডেটাবেইজ টেম্পারিং, ভুয়া সদস্যপদ প্রদান, অর্থ গ্রহণ করেও সদস্যপদ নবায়ন ও অন্যান্য সেবা না দেওয়াসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন।
র্যাবের দাবি, তিনি প্রায় দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান করে আনুমানিক ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের জুলাই মাসে ডিসিসিআই কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে। পরে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মুন্সী মো. আজিজুর রহমান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলে র্যাব-৪ ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে পৃথক আরেক অভিযানে জাল নোট চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-৪। র্যাব সূত্র জানায়, ১৩ মে রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপনগর থানার একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. বেলাল হোসেন (৩৮) কে আটক করা হয়। একই সময়ে আশুলিয়ার বিরুলিয়া খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজ আহমেদ (৩৭) ও দ্বীপ্ত মন্ডল তন্ময় (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে সর্বমোট ২ লাখ ১৬ হাজার ৯ শত টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
রাজধানীতে শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক সংগঠনের নামে ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪। একইসঙ্গে পৃথক অভিযানে ২ লাখ ১৬ হাজার ৯ শত টাকার জাল নোটসহ আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, “বাংলাদেশ আমার অহংকার” স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর অপরাধ দমনে কাজ করে আসছে বাহিনীটি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ মে সন্ধ্যায় র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা মহানগরীর কেরানীগঞ্জ থানার নাজিরাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারণা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. রাসেল আহমেদ (৩৮) কে গ্রেফতার করে।
মামলার এজাহার ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দেশের অন্যতম শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠন “ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)” তে ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে সিনিয়র অফিসার হিসেবে যোগ দেন রাসেল আহমেদ। ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত কর্মরত থাকাকালে তিনি প্রতিষ্ঠানের পুরোনো সদস্যদের তথ্য অপব্যবহার, ডেটাবেইজ টেম্পারিং, ভুয়া সদস্যপদ প্রদান, অর্থ গ্রহণ করেও সদস্যপদ নবায়ন ও অন্যান্য সেবা না দেওয়াসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন।
র্যাবের দাবি, তিনি প্রায় দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান করে আনুমানিক ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের জুলাই মাসে ডিসিসিআই কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে। পরে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মুন্সী মো. আজিজুর রহমান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলে র্যাব-৪ ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে পৃথক আরেক অভিযানে জাল নোট চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-৪। র্যাব সূত্র জানায়, ১৩ মে রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপনগর থানার একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. বেলাল হোসেন (৩৮) কে আটক করা হয়। একই সময়ে আশুলিয়ার বিরুলিয়া খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজ আহমেদ (৩৭) ও দ্বীপ্ত মন্ডল তন্ময় (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে সর্বমোট ২ লাখ ১৬ হাজার ৯ শত টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
