রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার কুতুব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্ব পালন না করে বেঞ্চের ওপর ঘুমিয়ে থাকার পাশাপাশি ছবি তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকাল আনুমানিক ১১টা ৩৮ মিনিটে বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পরীক্ষা চলছিল। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিপুল চন্দ্র রায়কে পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্ব পালন না করে বেঞ্চের ওপর শুয়ে থাকতে দেখা যায়। উপস্থিত সাংবাদিকেরা ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, ছবি তোলার সময় বিদ্যালয়ের অপর সহকারী শিক্ষক ওমর আল জাবির (রফিক) সাংবাদিকদের ছবি মুছে ফেলতে চাপ দেন। এতে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক অফিসকক্ষে অবস্থান করছিলেন। ফলে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের তদারকিতে অবহেলা দেখা দেয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা। তাদের ভাষ্য, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের এমন দায়িত্বহীন আচরণ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। এতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসের সরকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ বলেন, পরীক্ষার সময় দায়িত্বে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার কুতুব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্ব পালন না করে বেঞ্চের ওপর ঘুমিয়ে থাকার পাশাপাশি ছবি তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকাল আনুমানিক ১১টা ৩৮ মিনিটে বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পরীক্ষা চলছিল। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিপুল চন্দ্র রায়কে পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্ব পালন না করে বেঞ্চের ওপর শুয়ে থাকতে দেখা যায়। উপস্থিত সাংবাদিকেরা ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, ছবি তোলার সময় বিদ্যালয়ের অপর সহকারী শিক্ষক ওমর আল জাবির (রফিক) সাংবাদিকদের ছবি মুছে ফেলতে চাপ দেন। এতে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক অফিসকক্ষে অবস্থান করছিলেন। ফলে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের তদারকিতে অবহেলা দেখা দেয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা। তাদের ভাষ্য, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের এমন দায়িত্বহীন আচরণ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। এতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসের সরকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ বলেন, পরীক্ষার সময় দায়িত্বে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
