যশোরে এক গণসমাবেশে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া–কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী নির্বাচন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগ-বিএনপির রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি বলেন, টুঙ্গিপাড়ায় শেখ হাসিনা যতবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই ব্যালটের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।
এস এম জিলানী আরও দাবি করেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে এবং তিনি আর আগের অবস্থানে ফিরতে পারবেন না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, টুঙ্গিপাড়া–কোটালীপাড়ার সর্বশেষ নির্বাচনে ভোটাররা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি ভোট কারচুপির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।
বক্তব্যের একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা নিয়ে চলা আলোচনার প্রসঙ্গও তোলেন এস এম জিলানী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে স্বেচ্ছাসেবক দল তাকে ‘স্বাগত জানাতে প্রস্তুত’। এছাড়া তিনি শেখ হাসিনার অতীতের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজেদুর রহমান সাগরসহ অন্যান্য দলীয় নেতারা।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনটিতে এস এম জিলানীর জনসমাবেশে দেওয়া বক্তব্য ও দাবিগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে। এগুলো তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য; এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
যশোরে এক গণসমাবেশে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া–কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী নির্বাচন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগ-বিএনপির রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি বলেন, টুঙ্গিপাড়ায় শেখ হাসিনা যতবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই ব্যালটের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।
এস এম জিলানী আরও দাবি করেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে এবং তিনি আর আগের অবস্থানে ফিরতে পারবেন না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, টুঙ্গিপাড়া–কোটালীপাড়ার সর্বশেষ নির্বাচনে ভোটাররা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি ভোট কারচুপির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।
বক্তব্যের একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা নিয়ে চলা আলোচনার প্রসঙ্গও তোলেন এস এম জিলানী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে স্বেচ্ছাসেবক দল তাকে ‘স্বাগত জানাতে প্রস্তুত’। এছাড়া তিনি শেখ হাসিনার অতীতের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজেদুর রহমান সাগরসহ অন্যান্য দলীয় নেতারা।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনটিতে এস এম জিলানীর জনসমাবেশে দেওয়া বক্তব্য ও দাবিগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে। এগুলো তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য; এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।
