সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

বিপাকে দুই জেলার কৃষক

জয়পুরহাট-বগুড়ায় ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে ১ হাজার হেক্টর আমন ধান

জয়পুরহাট-বগুড়ায় ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে ১ হাজার হেক্টর আমন ধান
ছবি : চেকপোস্ট

এক রাতের ভারী বর্ষণে জয়পুরহাট ও বগুড়ার দুই উপজেলায় প্রায় এক হাজার হেক্টর রোপা আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ফসলের ক্ষতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

শনিবার (২ আগস্ট) রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে জয়পুরহাটের কালাই এবং বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানান, অতিবৃষ্টিতে উপজেলায় প্রায় ৯৪০ হেক্টর জমির রোপা আমন ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। এর মধ্যে ২৫০ হেক্টর জমি থেকে পানি নেমে গেলেও এখনো প্রায় ৬৯০ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে রয়েছে।

তিনি বলেন, বৃষ্টি বন্ধ থাকায় আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে ধানের বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। সাধারণত আমন ধান পাঁচ থেকে ছয় দিন পর্যন্ত পানির নিচে টিকে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, সেখানে প্রায় ৪০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে যায়। পানি কমতে শুরু করায় ইতোমধ্যে ২০ হেক্টর জমির ধানের পাতা দেখা যাচ্ছে।

শিবগঞ্জ উপজেলার ছাতিয়ানপাড়া গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান জানান, বৃষ্টির আগের দিন তিনি ৬ হাজার টাকা খরচ করে ৩ বিঘা জমিতে ধান রোপণ করেছিলেন। কিন্তু রাতের ভারী বৃষ্টিতে পুরো জমি পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি ও পানি নিষ্কাশনের ওপর নির্ভর করবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।

#কৃষকের_দুর্ভোগ #আমন_ধান #বৃষ্টিতে_ফসল_ক্ষতি

চেকপোস্ট

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


জয়পুরহাট-বগুড়ায় ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে ১ হাজার হেক্টর আমন ধান

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

এক রাতের ভারী বর্ষণে জয়পুরহাট ও বগুড়ার দুই উপজেলায় প্রায় এক হাজার হেক্টর রোপা আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ফসলের ক্ষতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

শনিবার (২ আগস্ট) রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে জয়পুরহাটের কালাই এবং বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানান, অতিবৃষ্টিতে উপজেলায় প্রায় ৯৪০ হেক্টর জমির রোপা আমন ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। এর মধ্যে ২৫০ হেক্টর জমি থেকে পানি নেমে গেলেও এখনো প্রায় ৬৯০ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে রয়েছে।

তিনি বলেন, বৃষ্টি বন্ধ থাকায় আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে ধানের বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। সাধারণত আমন ধান পাঁচ থেকে ছয় দিন পর্যন্ত পানির নিচে টিকে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, সেখানে প্রায় ৪০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে যায়। পানি কমতে শুরু করায় ইতোমধ্যে ২০ হেক্টর জমির ধানের পাতা দেখা যাচ্ছে।

শিবগঞ্জ উপজেলার ছাতিয়ানপাড়া গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান জানান, বৃষ্টির আগের দিন তিনি ৬ হাজার টাকা খরচ করে ৩ বিঘা জমিতে ধান রোপণ করেছিলেন। কিন্তু রাতের ভারী বৃষ্টিতে পুরো জমি পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি ও পানি নিষ্কাশনের ওপর নির্ভর করবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত