বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

রাজনীতি

আইন প্রণয়ন ও সংস্কারে দ্রুত পদক্ষেপ চায় দলটি

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি ইসলামী আন্দোলনের
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই সনদ ও সংস্কারকে রাজনীতি ও বিতর্কের বিষয়বস্তু না বানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

দলের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, “জুলাই সনদ একটি রক্তে স্নাত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এটি স্বৈরতন্ত্র থেকে দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার বহন করে। তাই এটিকে রাজনৈতিক বিতর্কে না জড়িয়ে বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দলের নিয়মিত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে অতিরিক্ত রাজনীতির কারণে জাতির মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। একই ভুল জুলাই সনদ নিয়ে করা উচিত নয়। “জুলাই আমাদের সবার, এর প্রতি দায়বদ্ধতাও সবার” যোগ করেন তিনি।

মহাসচিব দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল স্বৈরতন্ত্রের স্থায়ী অবসান। সে লক্ষ্যে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও অনেক বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, যা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, গুম, মানবাধিকার, দুর্নীতি দমন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন প্রয়োজন। একই সঙ্গে গণভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়েও জোর দেন তিনি।

সরকারের প্রতি আস্থা রাখার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত না হলে তা জুলাইয়ের আত্মত্যাগের সঙ্গে বেঈমানির শামিল হবে।

দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#রাজনীতি #জুলাইসনদ #সংস্কার

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জুলাই সনদ ও সংস্কারকে রাজনীতি ও বিতর্কের বিষয়বস্তু না বানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

দলের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, “জুলাই সনদ একটি রক্তে স্নাত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এটি স্বৈরতন্ত্র থেকে দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার বহন করে। তাই এটিকে রাজনৈতিক বিতর্কে না জড়িয়ে বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দলের নিয়মিত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে অতিরিক্ত রাজনীতির কারণে জাতির মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। একই ভুল জুলাই সনদ নিয়ে করা উচিত নয়। “জুলাই আমাদের সবার, এর প্রতি দায়বদ্ধতাও সবার” যোগ করেন তিনি।

মহাসচিব দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল স্বৈরতন্ত্রের স্থায়ী অবসান। সে লক্ষ্যে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও অনেক বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, যা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, গুম, মানবাধিকার, দুর্নীতি দমন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন প্রয়োজন। একই সঙ্গে গণভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়েও জোর দেন তিনি।

সরকারের প্রতি আস্থা রাখার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত না হলে তা জুলাইয়ের আত্মত্যাগের সঙ্গে বেঈমানির শামিল হবে।

দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত