জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে দেশে ‘শেখতন্ত্র’ বা ‘শেখরাজ্য’ প্রতিষ্ঠা করা হতো বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্ব, ত্যাগ ও দুঃসাহসিক স্মৃতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই আন্দোলন ব্যর্থ হলে দেশের কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল ও শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হতে পারত। পাশাপাশি অনেক সাংবাদিক গুম, কারাবন্দি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার আশঙ্কাও ছিল।
তিনি বলেন, অতীতে দিগন্ত টেলিভিশন, ইসলামিক টেলিভিশন, দৈনিক আমার দেশসহ কয়েকটি গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের বিষয়েও এখনো স্পষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, দৈনিক আমার দেশ-এর যুগ্ম সম্পাদক এম আবদুল্লাহ, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
ফরিদা আখতার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মোবাইল সাংবাদিকদের ধারণ করা ছবি, ভিডিও ও তথ্য ভবিষ্যতের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
এম আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই আন্দোলনে মোবাইল জার্নালিস্ট, ফটোসাংবাদিক ও মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মীরা সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি শহীদ সাংবাদিকদের হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সাংবাদিকদের অধিকার, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বক্তারা আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ত্যাগ, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে দেশে ‘শেখতন্ত্র’ বা ‘শেখরাজ্য’ প্রতিষ্ঠা করা হতো বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্ব, ত্যাগ ও দুঃসাহসিক স্মৃতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই আন্দোলন ব্যর্থ হলে দেশের কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল ও শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হতে পারত। পাশাপাশি অনেক সাংবাদিক গুম, কারাবন্দি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার আশঙ্কাও ছিল।
তিনি বলেন, অতীতে দিগন্ত টেলিভিশন, ইসলামিক টেলিভিশন, দৈনিক আমার দেশসহ কয়েকটি গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের বিষয়েও এখনো স্পষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, দৈনিক আমার দেশ-এর যুগ্ম সম্পাদক এম আবদুল্লাহ, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
ফরিদা আখতার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মোবাইল সাংবাদিকদের ধারণ করা ছবি, ভিডিও ও তথ্য ভবিষ্যতের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
এম আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই আন্দোলনে মোবাইল জার্নালিস্ট, ফটোসাংবাদিক ও মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মীরা সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি শহীদ সাংবাদিকদের হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সাংবাদিকদের অধিকার, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বক্তারা আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ত্যাগ, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।
