সুনামগঞ্জের ছাতকে চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ সিপিএসসি, সিলেটের একটি দল বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন খাদিমনগর ইউনিয়নের ধুপাগল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি আমির আলী (৪৫)-কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আমির আলী সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের ছুরাব আলীর ছেলে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভিকটিম আছিয়া বেগমের সঙ্গে আসামির দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন ১৫ জুন ২০২৬ সকালে বাজারে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে বিকেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ জুন ২০২৬ দুপুরে ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে ছাতক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিকে ছাতক থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য বিষয় তদন্তাধীন রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের ছাতকে চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ সিপিএসসি, সিলেটের একটি দল বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন খাদিমনগর ইউনিয়নের ধুপাগল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি আমির আলী (৪৫)-কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আমির আলী সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের ছুরাব আলীর ছেলে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভিকটিম আছিয়া বেগমের সঙ্গে আসামির দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন ১৫ জুন ২০২৬ সকালে বাজারে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে বিকেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ জুন ২০২৬ দুপুরে ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে ছাতক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিকে ছাতক থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য বিষয় তদন্তাধীন রয়েছে।
