হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গোয়ালঘরের দরজার খিল খুলে তিনটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষক মো. আজিজুর রহমান ওরফে রঙ্গু মিয়া। ঘটনার তিন দিন পার হলেও এখনো চুরি যাওয়া গরুগুলোর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই কৃষক।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার ৯ নম্বর রানীগাঁও ইউনিয়নের উত্তর রানীগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক চুনারুঘাট থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ির পাশে একচালা টিনের গোয়ালঘরে তিনটি গরু বেঁধে রাখেন আজিজুর রহমান। রাত ১টার দিকে ঘুম ভেঙে গেলে তিনি গোয়ালঘরে গিয়ে গরুগুলোকে খাবার দেন। পরে দরজায় লাঠির খিল লাগিয়ে ঘরে ফিরে যান।
ভোরে উঠে গোয়ালঘরে গিয়ে তিনি দেখতে পান, দরজার খিল খোলা এবং ভেতরে থাকা তিনটি গরু নেই। পরে তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তবে ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও গরুগুলোর কোনো সন্ধান মেলেনি।
চুরি হওয়া গরুগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা মূল্যের একটি লাল রঙের গাভী, ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি বকনা বাছুর এবং ২০ হাজার টাকা মূল্যের দুই মাস বয়সী একটি ষাঁড় বাছুর।
কৃষক আজিজুর রহমান বলেন, “ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়েছি। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খুঁজেছি। কিন্তু তিন দিনেও গরুগুলোর কোনো সন্ধান পাইনি। গরুগুলোই ছিল আমার সম্বল। এগুলো হারিয়ে এখন খুব দুশ্চিন্তায় আছি।”
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
চুনারুঘাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত এবং চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গোয়ালঘরের দরজার খিল খুলে তিনটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষক মো. আজিজুর রহমান ওরফে রঙ্গু মিয়া। ঘটনার তিন দিন পার হলেও এখনো চুরি যাওয়া গরুগুলোর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই কৃষক।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার ৯ নম্বর রানীগাঁও ইউনিয়নের উত্তর রানীগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক চুনারুঘাট থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ির পাশে একচালা টিনের গোয়ালঘরে তিনটি গরু বেঁধে রাখেন আজিজুর রহমান। রাত ১টার দিকে ঘুম ভেঙে গেলে তিনি গোয়ালঘরে গিয়ে গরুগুলোকে খাবার দেন। পরে দরজায় লাঠির খিল লাগিয়ে ঘরে ফিরে যান।
ভোরে উঠে গোয়ালঘরে গিয়ে তিনি দেখতে পান, দরজার খিল খোলা এবং ভেতরে থাকা তিনটি গরু নেই। পরে তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তবে ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও গরুগুলোর কোনো সন্ধান মেলেনি।
চুরি হওয়া গরুগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা মূল্যের একটি লাল রঙের গাভী, ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি বকনা বাছুর এবং ২০ হাজার টাকা মূল্যের দুই মাস বয়সী একটি ষাঁড় বাছুর।
কৃষক আজিজুর রহমান বলেন, “ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়েছি। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খুঁজেছি। কিন্তু তিন দিনেও গরুগুলোর কোনো সন্ধান পাইনি। গরুগুলোই ছিল আমার সম্বল। এগুলো হারিয়ে এখন খুব দুশ্চিন্তায় আছি।”
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
চুনারুঘাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত এবং চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
