রাঙামাটি শহরের উপকণ্ঠে চাঁদার দাবি পূরণ না হওয়ায় ব্যক্তি মালিকানাধীন পেঁপে বাগানের প্রায় ৮০০টি ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।
শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিসিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ রানা ও মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে পিসিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, অপহরণ, চাঁদার দাবিতে হামলা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
তারা বলেন, পার্বত্য এলাকায় সক্রিয় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
পিসিএনপি নেতারা আশা প্রকাশ করেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙালি সব জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভুক্তভোগী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
রাঙামাটি শহরের উপকণ্ঠে চাঁদার দাবি পূরণ না হওয়ায় ব্যক্তি মালিকানাধীন পেঁপে বাগানের প্রায় ৮০০টি ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।
শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিসিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ রানা ও মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে পিসিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, অপহরণ, চাঁদার দাবিতে হামলা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
তারা বলেন, পার্বত্য এলাকায় সক্রিয় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
পিসিএনপি নেতারা আশা প্রকাশ করেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙালি সব জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভুক্তভোগী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।
