ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে এক ঝুট কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সারাফাতসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার (২৬ জুন) ওসমান গনি ফেব্রিক্স-এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নোকিব বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন মো. আকিব ও রিফাত। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাদীর দাবি, প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগে তাঁর ব্যবসা চালিয়ে যেতে হলে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলে দাবি করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ জুন রাত ১১টার দিকে আসামিরা ও অজ্ঞাত আরও কয়েকজন তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন এবং পরে একটি অফিসে নিয়ে গিয়ে অস্ত্র দেখিয়ে চাঁদার টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেন। প্রাণভয়ে তিনি দুই দিনের মধ্যে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, সারাফাতসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সারাফাতের বাবা সাঈদ মিয়া বলেন, পুরো ঘটনাটি সাজানো ও মিথ্যা। তাঁর দাবি, রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।
এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিল হোসেন জানান, ঘটনায় নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে এক ঝুট কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সারাফাতসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার (২৬ জুন) ওসমান গনি ফেব্রিক্স-এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নোকিব বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন মো. আকিব ও রিফাত। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাদীর দাবি, প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগে তাঁর ব্যবসা চালিয়ে যেতে হলে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলে দাবি করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ জুন রাত ১১টার দিকে আসামিরা ও অজ্ঞাত আরও কয়েকজন তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন এবং পরে একটি অফিসে নিয়ে গিয়ে অস্ত্র দেখিয়ে চাঁদার টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেন। প্রাণভয়ে তিনি দুই দিনের মধ্যে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, সারাফাতসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সারাফাতের বাবা সাঈদ মিয়া বলেন, পুরো ঘটনাটি সাজানো ও মিথ্যা। তাঁর দাবি, রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।
এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিল হোসেন জানান, ঘটনায় নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
