রংপুরের গংগাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন আইপিএস (ইনভার্টার পাওয়ার সিস্টেম) সংযোজন করা হয়েছে।
রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের এডিপি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এই আইপিএস প্রদান করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ভর্তি রোগী, স্বজন ও চিকিৎসাকর্মীদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। বিশেষ করে জরুরি চিকিৎসাসেবা ও গরমের সময় রোগীদের দুর্ভোগ বেড়ে যেত।
নতুন আইপিএস চালুর ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ও রোগীদের ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। এতে চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর ও নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজী বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই আইপিএস স্থাপন করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, রোগী ও স্বজনরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে গংগাচড়া উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
রংপুরের গংগাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন আইপিএস (ইনভার্টার পাওয়ার সিস্টেম) সংযোজন করা হয়েছে।
রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের এডিপি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এই আইপিএস প্রদান করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ভর্তি রোগী, স্বজন ও চিকিৎসাকর্মীদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। বিশেষ করে জরুরি চিকিৎসাসেবা ও গরমের সময় রোগীদের দুর্ভোগ বেড়ে যেত।
নতুন আইপিএস চালুর ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ও রোগীদের ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। এতে চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর ও নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজী বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই আইপিএস স্থাপন করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, রোগী ও স্বজনরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে গংগাচড়া উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।
