রংপুরের গংগাচড়ায় অভিযান চালিয়ে ৩৪ বোতল নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য Eskufসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে গংগাচড়া মডেল থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া গ্রামের করিম উদ্দিনের দিঘীর পাড় মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন-চর মর্ণেয়া এলাকার ভাঙ্গাগড়া লাল গুচ্ছগ্রামের মৃত নুরুল দালালের ছেলে মো. আব্দুল সোবহান ওরফে পাষান (৪০) এবং চর মর্ণেয়া নদীরপাড় হেছানটারী এলাকার জয়েন উদ্দিনের ছেলে মো. মমিনুর ইসলাম (৩৫)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গংগাচড়া মডেল থানার একটি দল মর্ণেয়া ইউনিয়নের হাজিপাড়া তালপট্টি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ৩৪ বোতল নেশাজাতীয় Eskuf উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গংগাচড়া মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৪(খ) ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলাটি ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ১১ নম্বরে নথিভুক্ত করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানের পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের গংগাচড়ায় অভিযান চালিয়ে ৩৪ বোতল নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য Eskufসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে গংগাচড়া মডেল থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া গ্রামের করিম উদ্দিনের দিঘীর পাড় মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন-চর মর্ণেয়া এলাকার ভাঙ্গাগড়া লাল গুচ্ছগ্রামের মৃত নুরুল দালালের ছেলে মো. আব্দুল সোবহান ওরফে পাষান (৪০) এবং চর মর্ণেয়া নদীরপাড় হেছানটারী এলাকার জয়েন উদ্দিনের ছেলে মো. মমিনুর ইসলাম (৩৫)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গংগাচড়া মডেল থানার একটি দল মর্ণেয়া ইউনিয়নের হাজিপাড়া তালপট্টি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ৩৪ বোতল নেশাজাতীয় Eskuf উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গংগাচড়া মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৪(খ) ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলাটি ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ১১ নম্বরে নথিভুক্ত করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানের পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
