খুলনা মহানগরীর লবনচরা থানাধীন পুটিমারি বাজার এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ে ঢুকে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবদলের এক কর্মীসহ দুইজন আহত হয়েছেন।আজ ২১ মে দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, পুটিমারি বাজার সমিতির সভাপতি ও যুবদলের সক্রিয় কর্মী মাসুম শেখ (৩০) এবং তার শ্যালক জাহিদ হোসেন(২৫) মাসুম শেখ লবনচরা এলাকার বেলায়েত শেখের ছেলে। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, জলমা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ের ভিতরে অবস্থানকালে মো: পারভেজ (৩৪) মোটরসাইকেল যোগে সেখানে আসে৷ এসময় মাসুম শেখের সঙ্গে কথোপকথনের এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে পারভেজ তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি মাসুমের কোমরের নিচে ডান পাশে লাগে। পরে আরোও একটি গুলি ছোড়া হলে তা জাহিদ হোসেনের ডান হাতের বাহুতে বিদ্ধ হয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পেরেছে, পুটিমারি বাজার সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সেখানে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় পুর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হামলারঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় লবনচরা থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
খুলনা মহানগরীর লবনচরা থানাধীন পুটিমারি বাজার এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ে ঢুকে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবদলের এক কর্মীসহ দুইজন আহত হয়েছেন।আজ ২১ মে দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, পুটিমারি বাজার সমিতির সভাপতি ও যুবদলের সক্রিয় কর্মী মাসুম শেখ (৩০) এবং তার শ্যালক জাহিদ হোসেন(২৫) মাসুম শেখ লবনচরা এলাকার বেলায়েত শেখের ছেলে। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, জলমা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ের ভিতরে অবস্থানকালে মো: পারভেজ (৩৪) মোটরসাইকেল যোগে সেখানে আসে৷ এসময় মাসুম শেখের সঙ্গে কথোপকথনের এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে পারভেজ তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি মাসুমের কোমরের নিচে ডান পাশে লাগে। পরে আরোও একটি গুলি ছোড়া হলে তা জাহিদ হোসেনের ডান হাতের বাহুতে বিদ্ধ হয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পেরেছে, পুটিমারি বাজার সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সেখানে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় পুর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হামলারঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় লবনচরা থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
