খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার স্কুলভিটা এলাকায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মো. রাশেদ কাজী (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ কাজী লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার আনিসুর কাজীর ছেলে। তিনি খুলনার একটি প্রিন্টিং প্রেসে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের বড় ভাই কাজী রাইসুল জানান, সকালে রাশেদ বাড়িতেই ছিলেন। সকাল সোয়া ১১টার দিকে তার পরিচিত এক যুবক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর খবর আসে যে, স্কুলভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। লবণচরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পীযূষ দাস জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের পরিচিত ব্যক্তিরাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার স্কুলভিটা এলাকায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মো. রাশেদ কাজী (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ কাজী লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার আনিসুর কাজীর ছেলে। তিনি খুলনার একটি প্রিন্টিং প্রেসে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের বড় ভাই কাজী রাইসুল জানান, সকালে রাশেদ বাড়িতেই ছিলেন। সকাল সোয়া ১১টার দিকে তার পরিচিত এক যুবক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর খবর আসে যে, স্কুলভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। লবণচরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পীযূষ দাস জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের পরিচিত ব্যক্তিরাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
