খুলনা মহানগরীর যানজট নিরসন ও অপরাধ শনাক্তকরণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। এ ছাড়া নগরীর রাস্তা ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করা, ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কেসিসির পরিচালনা কমিটির ১৪তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ২৫ক(২) ধারা অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার এ কমিটি গঠন করে।
এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
সভায় মহানগরীর যানজট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করার উদ্যোগও আলোচনায় আসে।
এ ছাড়া নগরীর সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং রাস্তায় অবাধে বিচরণকারী বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ বিভাগের সহায়তায় কমিটি গঠন ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সড়ক মেরামত ও সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন
স্যুয়ারেজ লাইন স্থাপনের জন্য খুলনা ওয়াসার খনন করা রাস্তাগুলো মেরামতের ক্ষেত্রে কেসিসির নির্ধারিত শর্তসংবলিত সমঝোতা স্মারক অনুমোদনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পাশাপাশি কেসিসির মালিকানাধীন ভবনগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় কেডিএ এভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণী’ রাখার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিপিএম পদ্ধতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড থেকে মশক নিধনের ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইউনিপোল, বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ
নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে কনজারভেন্সি শাখার ঝাড়ুদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দিয়ে দৈনিক চার ঘণ্টা করে দুই শিফটে কাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বাড়ি বাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন এনজিও, সিবিও, ব্যক্তি উদ্যোক্তা ও ভ্যানচালকদের তালিকাভুক্ত করে বর্জ্য অপসারণে শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য অ্যাপ্রোন তৈরির সিদ্ধান্তও সভায় গৃহীত হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
খুলনা মহানগরীর যানজট নিরসন ও অপরাধ শনাক্তকরণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। এ ছাড়া নগরীর রাস্তা ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করা, ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কেসিসির পরিচালনা কমিটির ১৪তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ২৫ক(২) ধারা অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার এ কমিটি গঠন করে।
এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
সভায় মহানগরীর যানজট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করার উদ্যোগও আলোচনায় আসে।
এ ছাড়া নগরীর সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং রাস্তায় অবাধে বিচরণকারী বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ বিভাগের সহায়তায় কমিটি গঠন ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সড়ক মেরামত ও সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন
স্যুয়ারেজ লাইন স্থাপনের জন্য খুলনা ওয়াসার খনন করা রাস্তাগুলো মেরামতের ক্ষেত্রে কেসিসির নির্ধারিত শর্তসংবলিত সমঝোতা স্মারক অনুমোদনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পাশাপাশি কেসিসির মালিকানাধীন ভবনগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় কেডিএ এভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণী’ রাখার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিপিএম পদ্ধতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড থেকে মশক নিধনের ওষুধ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইউনিপোল, বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ
নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে কনজারভেন্সি শাখার ঝাড়ুদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দিয়ে দৈনিক চার ঘণ্টা করে দুই শিফটে কাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বাড়ি বাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন এনজিও, সিবিও, ব্যক্তি উদ্যোক্তা ও ভ্যানচালকদের তালিকাভুক্ত করে বর্জ্য অপসারণে শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য অ্যাপ্রোন তৈরির সিদ্ধান্তও সভায় গৃহীত হয়।
