দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আংগারপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানগড় গ্রামের মাহাদই পাড়ায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৩০টি পরিবার। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও বাড়ির উঠান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ বাড়ির উঠানে হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষের চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং বাড়ছে মশার উপদ্রব ও পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা।
স্থানীয়রা জানান, মাত্র ৬০ থেকে ৭০ মিটার ড্রেনেজ বা পাইপলাইন নির্মাণ করা গেলেই সমস্যার বড় অংশের সমাধান সম্ভব। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য তমিজ উদ্দিন জানান, বিষয়টি পরিষদে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সরকার বলেন, স্থানীয়দের দুর্ভোগ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং দ্রুত স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আংগারপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানগড় গ্রামের মাহাদই পাড়ায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৩০টি পরিবার। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও বাড়ির উঠান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ বাড়ির উঠানে হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষের চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং বাড়ছে মশার উপদ্রব ও পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা।
স্থানীয়রা জানান, মাত্র ৬০ থেকে ৭০ মিটার ড্রেনেজ বা পাইপলাইন নির্মাণ করা গেলেই সমস্যার বড় অংশের সমাধান সম্ভব। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য তমিজ উদ্দিন জানান, বিষয়টি পরিষদে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সরকার বলেন, স্থানীয়দের দুর্ভোগ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং দ্রুত স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
