দিনাজপুরের খানসামায় সার ডিলারের গুদামে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ২০৭ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার টংগুয়া বাজারে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার প্রতিষ্ঠান মেসার্স আসাদুজ্জামান ট্রেডার্সের গুদামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে গুদাম থেকে ৯৪ বস্তা ডিএপি, ৫৫ বস্তা ইউরিয়া ও ৫৮ বস্তা এমওপি সার উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা সব সার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আসাদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ডিলার পয়েন্টটি পরিচালনা করছিলেন। অবৈধভাবে সার মজুতের দায়ে সংশ্লিষ্টদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরকার জানান, জব্দ করা সারগুলো আগামীকাল স্থানীয় কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে। সার বিক্রির অর্থ সরাসরি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধভাবে সার মজুত ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। কৃষকদের কাছে সরকারি বরাদ্দের সার সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামায় সার ডিলারের গুদামে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ২০৭ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার টংগুয়া বাজারে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার প্রতিষ্ঠান মেসার্স আসাদুজ্জামান ট্রেডার্সের গুদামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে গুদাম থেকে ৯৪ বস্তা ডিএপি, ৫৫ বস্তা ইউরিয়া ও ৫৮ বস্তা এমওপি সার উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা সব সার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আসাদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ডিলার পয়েন্টটি পরিচালনা করছিলেন। অবৈধভাবে সার মজুতের দায়ে সংশ্লিষ্টদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরকার জানান, জব্দ করা সারগুলো আগামীকাল স্থানীয় কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে। সার বিক্রির অর্থ সরাসরি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধভাবে সার মজুত ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। কৃষকদের কাছে সরকারি বরাদ্দের সার সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
