খুলনার খানজাহান আলী থানা এলাকায় চোর সন্দেহে সম্রাট ঢালী (৩৫) নামে এক যুবককে মারধরের পর তাঁর মৃত্যু হয়েছে। খানজাহান আলী থানাধীন এজাক্স জুট মিলে এ ঘটনা ঘটে। যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মিলের নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
নিহত সম্রাট ঢালী মীরেরডাঙা এলাকার ফুলবাড়ির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মজিবর ঢালী।
জুট মিলে প্রবেশের পর আটক
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে সম্রাটসহ তিনজন খানজাহান আলীর এজাক্স জুট মিলে প্রবেশ করেন। এ সময় মিলের নিরাপত্তাকর্মীরা সম্রাটকে আটক করেন। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য দুজন সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
এরপর সম্রাটকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তিনতলা থেকে পড়ে আহত হওয়ার অভিযোগ
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, নিরাপত্তাকর্মীদের মারধরের একপর্যায়ে সম্রাট তিনতলা থেকে পড়ে আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে প্রিজন সেলে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
চোর সন্দেহে আটক এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে সম্রাট কীভাবে আহত হয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত প্রয়োজন।
নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং ময়নাতদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
খুলনার খানজাহান আলী থানা এলাকায় চোর সন্দেহে সম্রাট ঢালী (৩৫) নামে এক যুবককে মারধরের পর তাঁর মৃত্যু হয়েছে। খানজাহান আলী থানাধীন এজাক্স জুট মিলে এ ঘটনা ঘটে। যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মিলের নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
নিহত সম্রাট ঢালী মীরেরডাঙা এলাকার ফুলবাড়ির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মজিবর ঢালী।
জুট মিলে প্রবেশের পর আটক
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে সম্রাটসহ তিনজন খানজাহান আলীর এজাক্স জুট মিলে প্রবেশ করেন। এ সময় মিলের নিরাপত্তাকর্মীরা সম্রাটকে আটক করেন। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য দুজন সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
এরপর সম্রাটকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তিনতলা থেকে পড়ে আহত হওয়ার অভিযোগ
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, নিরাপত্তাকর্মীদের মারধরের একপর্যায়ে সম্রাট তিনতলা থেকে পড়ে আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে প্রিজন সেলে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
চোর সন্দেহে আটক এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে সম্রাট কীভাবে আহত হয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত প্রয়োজন।
নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং ময়নাতদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।
