খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) কাজী মো. সাবিরুল আলমসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর মামলার বিষয়টি জানায়। এর আগে গত সোমবার কমিশন থেকে মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়।
কেডিএ কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের আসামি
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আতাউর রহমান খান লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও প্রকল্পের লিড পার্টনার মো. আতাউর রহমান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকল্পের পার্টনার শেখ মাহাবুব রহমান।
এ ছাড়া কেডিএর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম জেহাদ, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মুনতাসির মামুন, সহকারী প্রকৌশলী বাসুদেব কুমার বিশ্বাস এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শরীফ ওয়াহিদুজ্জামানকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্স লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী সড়ক নির্মাণ না করে সরকারের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দুদক। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আসামিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাবে।
সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ
সম্প্রতি খুলনা সফরে গিয়ে শিপইয়ার্ড সড়ক নির্মাণে দীর্ঘ ১৩ বছরের নজিরবিহীন বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সড়কটির নির্মাণকাজে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প।
দুদকের মামলার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর আইনগত তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) কাজী মো. সাবিরুল আলমসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর মামলার বিষয়টি জানায়। এর আগে গত সোমবার কমিশন থেকে মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়।
কেডিএ কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের আসামি
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আতাউর রহমান খান লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও প্রকল্পের লিড পার্টনার মো. আতাউর রহমান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকল্পের পার্টনার শেখ মাহাবুব রহমান।
এ ছাড়া কেডিএর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম জেহাদ, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মুনতাসির মামুন, সহকারী প্রকৌশলী বাসুদেব কুমার বিশ্বাস এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শরীফ ওয়াহিদুজ্জামানকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্স লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী সড়ক নির্মাণ না করে সরকারের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দুদক। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আসামিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাবে।
সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ
সম্প্রতি খুলনা সফরে গিয়ে শিপইয়ার্ড সড়ক নির্মাণে দীর্ঘ ১৩ বছরের নজিরবিহীন বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সড়কটির নির্মাণকাজে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প।
দুদকের মামলার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর আইনগত তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে।
