শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

নিহত বাংলাদেশির মরদেহ

কলকাতার আগুনে নিহত আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা দিয়ে দেশে ফিরল

কলকাতার আগুনে নিহত আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা দিয়ে দেশে ফিরল
ছবি : চেকপোস্ট

ভারতের কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজুর (৪৫) মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতক্ষীরার দুইজনসহ মোট সাত বাংলাদেশি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের আলিমুজ্জামান সাজু এবং তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকার (৩৭)।

জানা যায়, চিকিৎসার জন্য তারা ভারতে গিয়ে কলকাতার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। রাতে হোটেলে আগুন লাগলে তারা প্রাণ হারান।

দুই দিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। এর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দুপুরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

ভোমরা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজিব বালা জানান, দুপুর ১২টার পর সাজুর মরদেহ গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ভোমরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জানান, দুই দেশের জিরো পয়েন্টে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ গ্রহণ করা হয়।

এদিকে রেবতী সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, তার ছেলে-মেয়ে ভারতে অবস্থান করায় রেবতী সরকারের মরদেহ সেখানেই সৎকার করা হয়েছে।

Image

#সাতক্ষীরা #কলকাতাহোটেলঅগ্নিকাণ্ড #ভোমরাস্থলবন্দর

চেকপোস্ট

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬


কলকাতার আগুনে নিহত আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা দিয়ে দেশে ফিরল

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজুর (৪৫) মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতক্ষীরার দুইজনসহ মোট সাত বাংলাদেশি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের আলিমুজ্জামান সাজু এবং তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকার (৩৭)।

জানা যায়, চিকিৎসার জন্য তারা ভারতে গিয়ে কলকাতার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। রাতে হোটেলে আগুন লাগলে তারা প্রাণ হারান।

দুই দিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। এর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দুপুরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

ভোমরা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজিব বালা জানান, দুপুর ১২টার পর সাজুর মরদেহ গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ভোমরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জানান, দুই দেশের জিরো পয়েন্টে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ গ্রহণ করা হয়।

এদিকে রেবতী সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, তার ছেলে-মেয়ে ভারতে অবস্থান করায় রেবতী সরকারের মরদেহ সেখানেই সৎকার করা হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত