পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতেও গোপালগঞ্জ জেলা শহরে থেমে নেই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন খাল, ড্রেন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগ।
শনিবার (৩০ মে) গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার, অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফারিহা তানজিন সাংবাদিকদের জানান, ঈদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত বর্জ্য অপসারণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং চলছে।
তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিনসহ পুরো ছুটিকালীন সময়ে অতিরিক্ত ৬৫ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং ১৫ জন ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকি কর্মী মাঠে কাজ করছেন। অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের ফলে অল্প সময়েই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হয়েছে।
এছাড়া শহরের খাল ও জলাশয়ে জমে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার করা হচ্ছে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার, আবাসিক এলাকা ও খালপাড়ে নিয়মিত অভিযান চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঈদের ছুটির মধ্যেও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় শহরের পরিবেশ অনেকটা পরিষ্কার ও বাসযোগ্য রয়েছে। তারা জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও একটি পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতেও গোপালগঞ্জ জেলা শহরে থেমে নেই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন খাল, ড্রেন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগ।
শনিবার (৩০ মে) গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার, অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফারিহা তানজিন সাংবাদিকদের জানান, ঈদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত বর্জ্য অপসারণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং চলছে।
তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিনসহ পুরো ছুটিকালীন সময়ে অতিরিক্ত ৬৫ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং ১৫ জন ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকি কর্মী মাঠে কাজ করছেন। অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের ফলে অল্প সময়েই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হয়েছে।
এছাড়া শহরের খাল ও জলাশয়ে জমে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার করা হচ্ছে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার, আবাসিক এলাকা ও খালপাড়ে নিয়মিত অভিযান চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঈদের ছুটির মধ্যেও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় শহরের পরিবেশ অনেকটা পরিষ্কার ও বাসযোগ্য রয়েছে। তারা জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও একটি পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
