ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার চেষ্টাকালে নৌকাডুবিতে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাদারীপুরের রাজৈর থানার টেকেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে সিআইডির মানবপাচার ইউনিটের একটি দল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বাঘা (৫৪) ও মো. আমির হোসেন স্বপন (৩৮)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইতালি পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় তিউনিসিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।
পরে নিহতদের মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরিয়ে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় বেঁচে ফেরা একমাত্র ভুক্তভোগী আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেন।
সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র বৈধভাবে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেয়। পরে তাদের অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে সমুদ্রপথে ইতালি পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
তিউনিসিয়ার উপকূলে ট্রলারটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়।
সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে নিহত ভুক্তভোগী রাসেল শেখ (১৯)-এর পরিবারের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ, মানবপাচার চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়া এবং তাকে বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার তথ্য পাওয়া গেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার চেষ্টাকালে নৌকাডুবিতে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাদারীপুরের রাজৈর থানার টেকেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে সিআইডির মানবপাচার ইউনিটের একটি দল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বাঘা (৫৪) ও মো. আমির হোসেন স্বপন (৩৮)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইতালি পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় তিউনিসিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।
পরে নিহতদের মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরিয়ে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় বেঁচে ফেরা একমাত্র ভুক্তভোগী আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেন।
সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র বৈধভাবে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেয়। পরে তাদের অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে সমুদ্রপথে ইতালি পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
তিউনিসিয়ার উপকূলে ট্রলারটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়।
সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে নিহত ভুক্তভোগী রাসেল শেখ (১৯)-এর পরিবারের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ, মানবপাচার চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়া এবং তাকে বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার তথ্য পাওয়া গেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
