শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

হবিগঞ্জে ইউএনওকে ঘিরে বিতর্ক

আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে ইউএনও’র বৈঠকের ছবি ভাইরাল, মাধবপুরে তীব্র আলোচনা

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে ইউএনও’র বৈঠকের ছবি ভাইরাল, মাধবপুরে তীব্র আলোচনা
ছবি : চেকপোস্ট

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ইউনুস জাহিদ বিন কাসেমকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার একাধিক বৈঠকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

সর্বশেষ উপজেলার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাসাদ্দুক আহমেদের সঙ্গে একটি বৈঠকের ছবি প্রকাশের পর সমালোচনা তীব্র হয়। এ বিষয়ে ইউএনও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ডাকেননি; উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে তাকে ডাকা হয়েছিল।

এর আগে জগদীশপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সঙ্গে সালিশ বৈঠক এবং যুবলীগ নেতা শংকর পাল সুমনের উপস্থিতিতে পূজা প্রস্তুতি সভায় ইউএনও’র অংশগ্রহণ নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, অনুদান ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিশেষ করে গিলাতলী মন্দিরের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা হরিশ চন্দ্রের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের তদন্ত প্রতিবেদন এখনো জমা না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা যুবদলের নেতা সাইফুর রহমান টিটু অভিযোগ করেন, ইউএনও নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

অন্যদিকে স্থানীয় সাংবাদিকদের একাংশের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করলেও সময়মতো জবাব পাওয়া যাচ্ছে না এবং কিছু ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মাধবপুর মডেল প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ পাল বলেন, সাধারণ মানুষের অভিযোগ প্রশাসনের কাছে যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না বলে মনে হচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও ইউনুস জাহিদ বিন কাসেম বলেন, তাসাদ্দুক মাস্টারের বিষয়টি রাজনৈতিক ছিল না এবং পূজা উদযাপন পরিষদের অনিয়মের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।

এদিকে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে ইউএনও ইউনুস জাহিদ বিন কাসেমকে বিশ্বনাথ উপজেলায় বদলির আদেশ দেওয়া হলেও এখনো তিনি মাধবপুরে দায়িত্ব পালন করছেন।

#মাধবপুর_ইউএনও #হবিগঞ্জ_রাজনীতি #প্রশাসনিক_বিতর্ক

চেকপোস্ট

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে ইউএনও’র বৈঠকের ছবি ভাইরাল, মাধবপুরে তীব্র আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ইউনুস জাহিদ বিন কাসেমকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার একাধিক বৈঠকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

সর্বশেষ উপজেলার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাসাদ্দুক আহমেদের সঙ্গে একটি বৈঠকের ছবি প্রকাশের পর সমালোচনা তীব্র হয়। এ বিষয়ে ইউএনও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ডাকেননি; উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে তাকে ডাকা হয়েছিল।

এর আগে জগদীশপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সঙ্গে সালিশ বৈঠক এবং যুবলীগ নেতা শংকর পাল সুমনের উপস্থিতিতে পূজা প্রস্তুতি সভায় ইউএনও’র অংশগ্রহণ নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, অনুদান ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিশেষ করে গিলাতলী মন্দিরের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা হরিশ চন্দ্রের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের তদন্ত প্রতিবেদন এখনো জমা না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা যুবদলের নেতা সাইফুর রহমান টিটু অভিযোগ করেন, ইউএনও নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

অন্যদিকে স্থানীয় সাংবাদিকদের একাংশের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করলেও সময়মতো জবাব পাওয়া যাচ্ছে না এবং কিছু ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মাধবপুর মডেল প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ পাল বলেন, সাধারণ মানুষের অভিযোগ প্রশাসনের কাছে যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না বলে মনে হচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও ইউনুস জাহিদ বিন কাসেম বলেন, তাসাদ্দুক মাস্টারের বিষয়টি রাজনৈতিক ছিল না এবং পূজা উদযাপন পরিষদের অনিয়মের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।

এদিকে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে ইউএনও ইউনুস জাহিদ বিন কাসেমকে বিশ্বনাথ উপজেলায় বদলির আদেশ দেওয়া হলেও এখনো তিনি মাধবপুরে দায়িত্ব পালন করছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত