সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ইসলাম

দাঁড়িয়ে না পারলে বসে বা ইশারায় নামাজ

আকাশপথে নামাজ যেভাবে আদায় করবেন সঠিকভাবে

আকাশপথে নামাজ যেভাবে আদায় করবেন সঠিকভাবে
বিমানে নামাজ পড়ছেন দুজন মুসল্লি, ছবি: সংগৃহীত

ইমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানদের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। পবিত্র কোরআন-এ বারবার নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সব নামাজের প্রতি যত্নবান হও’ (সুরা বাকারা: ২৩৮)।

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন, হে ইমানদাররা, তোমরা সাহায্য চাও ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন’ (সুরা বাকারা: ১৫৩)।

হাদিসে এসেছে, কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, বান্দার নামাজ সঠিক হলে সে সফল হবে, আর তা নষ্ট হলে ব্যর্থ হবে (সুনানে নাসায়ি)।

আকাশপথে ভ্রমণের সময় নামাজের সময় হলে তা যথাসম্ভব সময়মতো আদায় করতে হবে। বিমানে নামাজ পড়ার নিয়ম হলো,

সম্ভব হলে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে নামাজ আদায় করতে হবে।

রুকু ও সিজদা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

দাঁড়ানো সম্ভব না হলে বসে কিবলামুখী হয়ে নামাজ পড়তে হবে।

যদি কিবলামুখী হওয়া বা পূর্ণ রুকু-সিজদা করা সম্ভব না হয়, তাহলে বসে বা ইশারার মাধ্যমে নামাজ আদায় করা যাবে। তবে এ অবস্থায় আদায় করা নামাজ পরে সতর্কতামূলকভাবে পুনরায় পড়ে নেওয়া উত্তম।

এক হাদিসে আমের ইবনে রাবিয়া (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বাহনে থাকা অবস্থায় যেদিকে বাহন ফিরেছে সেদিকেই নামাজ আদায় করতে দেখেছেন (সহিহ বুখারি)।

চলন্ত ট্রেন, বাস বা লঞ্চেও একই বিধান প্রযোজ্য। পরিস্থিতি অনুযায়ী যেভাবে সম্ভব, নামাজ আদায় করতে হবে কারণ নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করাই ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ।

#নামাজ #বিমানে_নামাজ #ইসলামিক_জ্ঞান

চেকপোস্ট

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬


আকাশপথে নামাজ যেভাবে আদায় করবেন সঠিকভাবে

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানদের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। পবিত্র কোরআন-এ বারবার নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সব নামাজের প্রতি যত্নবান হও’ (সুরা বাকারা: ২৩৮)।

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন, হে ইমানদাররা, তোমরা সাহায্য চাও ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন’ (সুরা বাকারা: ১৫৩)।

হাদিসে এসেছে, কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, বান্দার নামাজ সঠিক হলে সে সফল হবে, আর তা নষ্ট হলে ব্যর্থ হবে (সুনানে নাসায়ি)।

আকাশপথে ভ্রমণের সময় নামাজের সময় হলে তা যথাসম্ভব সময়মতো আদায় করতে হবে। বিমানে নামাজ পড়ার নিয়ম হলো,

সম্ভব হলে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে নামাজ আদায় করতে হবে।

রুকু ও সিজদা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

দাঁড়ানো সম্ভব না হলে বসে কিবলামুখী হয়ে নামাজ পড়তে হবে।

যদি কিবলামুখী হওয়া বা পূর্ণ রুকু-সিজদা করা সম্ভব না হয়, তাহলে বসে বা ইশারার মাধ্যমে নামাজ আদায় করা যাবে। তবে এ অবস্থায় আদায় করা নামাজ পরে সতর্কতামূলকভাবে পুনরায় পড়ে নেওয়া উত্তম।

এক হাদিসে আমের ইবনে রাবিয়া (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বাহনে থাকা অবস্থায় যেদিকে বাহন ফিরেছে সেদিকেই নামাজ আদায় করতে দেখেছেন (সহিহ বুখারি)।

চলন্ত ট্রেন, বাস বা লঞ্চেও একই বিধান প্রযোজ্য। পরিস্থিতি অনুযায়ী যেভাবে সম্ভব, নামাজ আদায় করতে হবে কারণ নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করাই ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত