চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শিগগিরই শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে এই কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় এই কর্মসূচিটাকে (খাল খনন) একটা মহা-বিপ্লবে পরিণত করেছিলেন। দীর্ঘদিন থেকে আমরা দেশবাসী ভুক্তভোগী। খাল খননও নেই, জলাবদ্ধতা অথবা জলাশয়ে কোনো পানিও নাই, সেচের ব্যবস্থাও নেই- সবকিছু থেকে আমরা দেশবাসী বঞ্চিত। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে থেকেই বারবার এই কথাটা উল্লেখ করেছেন। শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আজকে আমরা মিটিং করেছি। সিদ্ধান্ত হয়েছে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়— আমরা এই চারটা মন্ত্রণালয় বসবো। আলোচনা করবো এবং পরবর্তী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত হবে। কীভাবে খাল খননের এই কর্মসূচিকে বিপ্লব আকারে নিয়ে এটাকে সাকসেস করতে পারি, সেই সিদ্ধান্তে আমরা পৌঁছাবো। আমাদের কার্যক্রম ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো, কবে থেকে কার্যক্রম শুরু হবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শিগগিরই শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে এই কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় এই কর্মসূচিটাকে (খাল খনন) একটা মহা-বিপ্লবে পরিণত করেছিলেন। দীর্ঘদিন থেকে আমরা দেশবাসী ভুক্তভোগী। খাল খননও নেই, জলাবদ্ধতা অথবা জলাশয়ে কোনো পানিও নাই, সেচের ব্যবস্থাও নেই- সবকিছু থেকে আমরা দেশবাসী বঞ্চিত। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে থেকেই বারবার এই কথাটা উল্লেখ করেছেন। শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আজকে আমরা মিটিং করেছি। সিদ্ধান্ত হয়েছে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়— আমরা এই চারটা মন্ত্রণালয় বসবো। আলোচনা করবো এবং পরবর্তী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত হবে। কীভাবে খাল খননের এই কর্মসূচিকে বিপ্লব আকারে নিয়ে এটাকে সাকসেস করতে পারি, সেই সিদ্ধান্তে আমরা পৌঁছাবো। আমাদের কার্যক্রম ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো, কবে থেকে কার্যক্রম শুরু হবে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত