চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

সৌদিতে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বিমান ধ্বংস করলো ইরান

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সৌদিতে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বিমান ধ্বংস করলো ইরান
মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানটি ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান। মার্কিনিদের কাছে এ বিমান মাত্র ১৬টি ছিল। বিশেষ রাডার থাকা বিমানটি আগাম সতর্কতা দেওয়া ও আকাশ নিয়ন্ত্রণের কাজ করত। সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। গত শুক্রবার সৌদির প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। এ সময় এ বিমানটিকে টার্গেট করা হয়। ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ১২ সেনাও আহত হন। এছাড়া একই হামলায় কয়েকটি রিফুয়েলিং বিমানও ধ্বংস হয়। অনলাইনে প্রকাশিত নতুন ফুটেজে দেখা গেছে, বোয়িং ই-৩ সেনট্রি মডেলের বিমানটি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। কয়েকজন আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একাধিক রিফুয়েলিং বিমানের সঙ্গে এই বিশেষ বিমানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিমান উন্নত প্রযুক্তির রাডার ব্যবহার করে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে থাকা যুদ্ধবিমান ও মিসাইল শনাক্ত করতে পারে। এতে করে আকাশ থেকে সেনা কমান্ডারদের এটি যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক চিত্র দিতে পারে। এটি ধ্বংসের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ মডেলের মাত্র ১৬টি বিমান ছিল। কয়েক দশক আগে যেটির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০টি। সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ই-৩ সেন্ট্রি ফ্লিটের বিমান সহজে রিপ্লেস করা যায় না। আর যদিও রিপ্লেস করতে হয় তাহলে আনতে হবে ই-৭ ওয়েজটেইল বিমান। যেগুলোর একেকটির দাম ৭০০ মিলিয়ন ডলার।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


সৌদিতে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বিমান ধ্বংস করলো ইরান

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬

featured Image
মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানটি ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান। মার্কিনিদের কাছে এ বিমান মাত্র ১৬টি ছিল। বিশেষ রাডার থাকা বিমানটি আগাম সতর্কতা দেওয়া ও আকাশ নিয়ন্ত্রণের কাজ করত। সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। গত শুক্রবার সৌদির প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। এ সময় এ বিমানটিকে টার্গেট করা হয়। ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ১২ সেনাও আহত হন। এছাড়া একই হামলায় কয়েকটি রিফুয়েলিং বিমানও ধ্বংস হয়। অনলাইনে প্রকাশিত নতুন ফুটেজে দেখা গেছে, বোয়িং ই-৩ সেনট্রি মডেলের বিমানটি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। কয়েকজন আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একাধিক রিফুয়েলিং বিমানের সঙ্গে এই বিশেষ বিমানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিমান উন্নত প্রযুক্তির রাডার ব্যবহার করে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে থাকা যুদ্ধবিমান ও মিসাইল শনাক্ত করতে পারে। এতে করে আকাশ থেকে সেনা কমান্ডারদের এটি যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক চিত্র দিতে পারে। এটি ধ্বংসের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ মডেলের মাত্র ১৬টি বিমান ছিল। কয়েক দশক আগে যেটির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০টি। সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ই-৩ সেন্ট্রি ফ্লিটের বিমান সহজে রিপ্লেস করা যায় না। আর যদিও রিপ্লেস করতে হয় তাহলে আনতে হবে ই-৭ ওয়েজটেইল বিমান। যেগুলোর একেকটির দাম ৭০০ মিলিয়ন ডলার।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত